আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল : বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) সদ্য ঘোষিত কমিটির সমম্বয়কারী মাজহারুল ইসলাম ইসলাম নিপু। সাজাপ্রাপ্ত আসামির তালিকায় জড়িয়ে রয়েছে তার নাম। গত ২১ আগষ্ট মাজহারুলকে প্রধান সমম্বয়কারী করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট আগৈলঝাড়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আকতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক হাসানাত আব্দুল্লাহ কমিটি অনুমোদন করেন।

নবগঠিত কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাজহারুল ইসলাম নিপু। এছাড়াও যুগ্ম সমন্বকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোশাররফ হোসেন, রানা হাওলাদার, মঞ্জু বালা, কামরুল হাওলাদার, বিনয় কর্মকার ও নাহিদা আক্তার বিথী। যাদের অনেকেই বিরুদ্ধে একাধিক মামলার বাদী বিবাদী রয়েছেন।

সদস্য পদে রয়েছেন মার্টিনা মিনা মধু, অলি রানী কর্মকার, বাবুল হাওলাদার, বিজন বালা, দীলিপ হাজরা, মাহফুজ হাওলাদার, সঞ্জিতা রায়সহ প্রমুখ। কমিটি প্রকাশের পরই মাজহারুল মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে পিসিপিআর যাচাই করা ফলাফল এই প্রতিনিধির হস্তগত হয়েছে। এতে দেখা যায়, ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারী আদালতের আদেশে মাদক মামলায় মাজহারুলকে সাজা দেয়া হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার মামলার এফআইর নং- ২১, জিআর- ২১/২০১৯, তারিখ ৮ জানুয়ারী ২০১৯,। জিআর নং ২১/২০১৯ (কোতোয়ালী) ৮ জানুয়ারী ২০১৮, সময় ২২.৫ টা। ধারা ৩৬ (১) সারণির ১০ (ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন- ২০১৮ এজাহারে অভিযুক্ত। তবে ওই কাগজে কতদিন সাজা দেয়া হয়েছে তা উল্লেখ নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাজহারুল সাংবাদিকদের জানায়, আমি ছাত্রজীবনে গৌরনদী কলেজে ছাত্রলীগ করতাম। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে (মইনুদ্দিন ও ফখরুদ্দিন) আমি মাদক নিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলাম, তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম। তারপরে আমার নামে মামলা ছিলো, মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় খালাস পেয়েছি। এরপরে আমার নামে কোনদিন মাদক মামলা হয়নি। আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার পিতা নিজামুল ইসলাম বাগধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।

এনসিপির বরিশাল জেলা সমম্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা সাংবাদিকদের বলেন, আগৈলঝাড়ার সমম্বয়কারীর বিরুদ্ধে মাদক মামলার প্রমান পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

(টিবি/এসপি/আগস্ট ২৯, ২০২৫)