ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : ঈশ্বরদীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ফাতেমা বেগম (৫৪) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার নাটোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কের মুলাডুলি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাতেমা বেগম ঈশ্বরদী উপজেলার জয়নগর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. শহিদুল ইসলামের স্ত্রী। আহতরা হলেন মোছা. শান্তা খাতুন (৩৩), মোছা. নুপুর খাতুন (১৮) এবং মোছা. রুমানা ইয়াসমিন। আহত সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে ফাতেমা বেগম তার স্বজনদের সঙ্গে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে দাশুড়িয়া থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় মুলাডুলি স্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। তাদের বহনকারী সিএনজিটি মুলাডুলি কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার চার যাত্রী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাতেমা বেগম মারা যান।

আহত শান্তা খাতুন ও রুমানা ইয়াসমিনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত নুপুর খাতুনকেও সরাসরি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পাকশী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কল্লোল কুমার জানান, নিহত ফাতেমা বেগমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পরপরই সিএনজি চালক অটোরিকশাসহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘাতক চালক ও অটোরিকশাটি শনাক্ত করার চেষ্টা করছে।

(এসকেকে/এএস/আগস্ট ২৯, ২০২৫)