গোপালগঞ্জে শীতের দাপট অব্যাহত, তাপমাত্রা ৮.৪ ডিগ্রি
তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে শীতের দাপট অব্যাহত রয়েছে। প্রচন্ড শীতে জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। রাস্তা-ঘাটে লোক সমাগম কমেছে। তাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কেনা-বেচা কম হচ্ছে। এ অবস্থায় ছিন্নমূল, দিনমজুর, কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। তারা ঠান্ডার মধ্যে কাজে নামতে পারছেন না।
আজ বৃহস্পতিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিস।
ওই অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান বলেন, জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সকাল ৬ টায় গোপালগঞ্জে ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭%। মাঝারি ধরনের কুয়াশায় দৃষ্টিসীমা ৩শ’ মিটার পরিলক্ষিত হয়েছে। বুধবারের (৩১ ডিসেম্বর) তুলনায় তাপমাত্রা আজ বৃহস্পতিবার কিছুটা বেড়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অবস্থা বিরাজ করছে। সকালে সূর্যের আলো ফুঁটে ওঠে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আগামীকাল শুক্রবারও শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকলেও দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পাবে। শনিবার থেকে শীত কমে তাপমাত্রা বাড়বে ।আগামী ৫ জানুয়ারী থেকে ফের শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ বেড জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, এ শীতে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া সহ জ্বর,ঠান্ডা, কাশি, শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তাদের ঠান্ডা লাগা থেকে বিরত থেকে উষ্ণ জায়গায় থাকতে হবে। এখনো আমাদের হাসপাতালে শীত জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের চাপ নেই।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) হাড় কাপানো শীতের রাতে মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী, ছিন্নমূল মানুষ, দিনমজুরদের কাছে গিয়ে কম্বল বিতরণ করেন কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাগুফতা হক। জেলাব্যাপী জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে বলে জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামান জানিয়েছেন।
(টিবি/এসপি/জানুয়ারি ০১, ২০২৬)
