তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের উপরদিয়ে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বইছে। আজ বুধবার গোপালগঞ্জের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। আরো কয়েকদিন শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত থাকার আভাস দিয়েছে ওই অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু সুফিয়ান। 

আজ সকাল থেকে সূয্যের দেখা মেলে দুপুর ১টার পার থেকে শতের তীব্রতা কমতে শুরু করে। এরপর জনজীবণে স্বো্যস্তি ফিরে আসে।

গত ২৫ ডিসেম্বের থেকে উত্তরে হীমেল হওয়ার সাথে কুয়াশায় গোপালগঞ্জে তীব্র শীত অনুভূত হয়ে আসছে । এ সময়ের মধ্যে সূয্যের দেখা তেমন মেলেনি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রার সাথে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পার্থক্য ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকায় হাড় কাঁপানো শীত জেঁকে বসে। এ কারণে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাড়িঘর থেকে বের হতে পারেননি। কৃষি কাজ ব্যাহত হয়েছে। দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে। এ অবস্থায় শিশু ও বৃদ্ধরা শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবু সুফিয়ান বলেন, বুধবার সকাল ৬ টায় জেলা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ মৌসুসে এটিই গোপালগঞ্জের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জের তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড তরা হয়। বুধবার ভোরে বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৭%। মাঝারি ধরণের কুয়াশায় দৃষ্টি সীমা ছিল ৪শ’ মিটার। বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ১ কিলোমিটার।

ওই কর্মকর্তা বলেন, এটিকে মাঝারি ধরণের শৈত্য প্রবাহ বলা হয়। এটি কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

গোপালগঞ্জ আড়াই শ’ বেড জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, মারাত্মক শীতে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি সহ শীত জনিত জটিলতায় আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি তাদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে গরম কাপড় পরিধ্যান ও কুসুম উষ্ণ পানিতে গোসলের কথা বলেছেন।

(টিবি/এসপি/জানুয়ারি ০৭, ২০২৬)