টাঙ্গাইলে শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির 'কাব্যকলা উৎসব' অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার, টাঙ্গাইল : শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, সাহিত্য ও শিল্পচর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিক্ষাদীক্ষা একাডেমি উদ্যোগে কাব্যকলা উৎসব ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ জানুয়ারি রাতে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির উদ্যোগে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আনন্দঘন ও সৃজনশীল পরিবেশে উৎসবটির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির আয়োজনে উৎসবের অংশ হিসেবে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মনোমুগ্ধকর ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা চেক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থাও রাখা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত বিচারকমণ্ডলীর হাতে শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
আদনান রাসেল ও ছন্দা'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন বিভাগের বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমগীর হোসেন আলম, মাহবুবুর রহমান রাজীব, নূপুর মাহবুব ও মুহাম্মদ আব্দুল মতিন।
আবৃত্তি বিভাগের বিচারক দেবাশীষ দে, অনিক রহমান বুলবুল, তরুণ ইউসুফ ও কাশীনাথ মুজুমদার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির অন্যান্য কর্মকর্তা ও অতিথিবৃন্দ।
শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মেজর (অবঃ) সাকিয়ে কাওসার বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক বিকাশে সাহিত্য ও শিল্পভিত্তিক আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহৎ পরিসরে এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষাদীক্ষা একাডেমির ডিরেক্টর ও চিফ একাডেমিক এডভাইজার এস. এম. ফরিদ বলেন, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন মানুষের জীবনের সব ধরনের যোগাযোগ দক্ষতার মূল কাঠামোকে সুচারুভাবে গড়ে তোলে। মানুষের সফল ও সুন্দর জীবনের অন্যতম শর্ত হলো কার্যকর কমিউনিকেশন। সে কারণেই প্রথাগত পড়ালেখার পাশাপাশি বিগত ছয় বছর ধরে শিক্ষাদীক্ষা একাডেমি ‘শিক্ষাদীক্ষা কাব্যকলা’ শিরোনামে নিয়মিত আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে শিশুদের মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
(এসএএম/এএস/জানুয়ারি ১৮, ২০২৬)
