তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তোলার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ‘বাংলাদেশ ইন গ্লোবাল পলিটিক্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, সিকিউরিটি এন্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ এই অন্তঃবিভাগ পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিভাগটির রেজিস্ট্রেশনকৃত ৫৯ জন শিক্ষার্থী ২৯টি পোস্টার উপস্থাপন করেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করে সুরভী আক্তার-আদনান সাকিব, দ্বিতীয় স্থান লাভ করে মোহনা হামিদ মুমু-জেমিমা আলম জুঁই ও আফিফাতুন জান্নাত এবং তৃতীয় স্থান লাভ করে তাপসী রাবেয়া হায়দার-মো. মেহেদী হাসান ও সুস্মিতা দাস বর্ণা।

বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে সনদপত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি মাহবুবা উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও শিক্ষার্থী সুমাইয়া হাসান মুনার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমপানী অনুষ্ঠানে সহযোগী অধ্যাপক মো. বদরুল ইসলামসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বক্তব্য রাখেন । পরে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেই বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। নেভিগেটিং পাওয়ার, সিকিউরিটি, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট, প্রতিটি বিষয় বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রের জন্য সমান গুরুত্ব রাখে। যার ওপর দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে। সম্ভবত বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার এই বিষয়কে কেন্দ্র করে পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আমি প্রত্যাশা করছি, এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে করা হবে। এবং এই প্রতিযোগিতা শুধু নিজেদের মধ্যে নয়, বরং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়ে করা দরকার। যা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্যারিয়ার গঠনে ভূমিকা পালন করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, যাদের মাথায় শিক্ষার্থীদের এভাবে গ্রুমিং করার চিন্তা এসেছে আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই। কেননা এসব প্রক্রিয়াই শিক্ষার্থীদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। একটা বড়ো পরিসরের বিষয়কে অতি সংক্ষেপে উপস্থাপন করার মধ্যে যে স্মার্টনেস আছে, শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে গেলে তা অনুধাবন করতে পারবে। আজকে কে বিজয়ী হলো, কে হলো না, তার চেয়েও বড়ো বিষয় এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাহস জুগিয়েছে। শিক্ষার্থীদের জানা বোঝার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

(টিবি/এসপি/জানুয়ারি ২৬, ২০২৬)