‘গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে ১২ তারিখে সকলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে’
মো. মাসুদ খান, মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জ- ২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি) আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে আগামী ১২ তারিখে সকলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং ভোট প্রয়োগ করে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
আজ শুক্রবার সকালের দিকে দিনব্যাপী লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ ৪, ৫, ৬ ওয়ার্ড এলাকায় মজিদ খান চেয়ারম্যান বাড়িতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, তারেক জিয়া পরিযদের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান খান, সাবেক ছাত্রদল নেতা এম শুভ আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমারভোগ ইউপি বিএনপি নেতা কাওছার তালুকদার, যুবদল নেতা মোঃ মাহাবুব আলম টিটু, নুরু মাদবর, আবুল হোসেন দেওয়ান, সিরাজুল ইসলাম শিপন প্রমূখ।
যুগ্মা সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, সামনে একটি জাতীয় নির্বাচন। যে নির্বাচনের জন্য আমাদের ১৬টি বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। শুধু অপেক্ষোয় থাকি নাই, এই নির্বাচনটি চাইতে গিয়ে আপোষহীন নেত্রী, দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় তাকে ১০ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। তিনি কারা বরণ করেছেন, আপোষ করলে তাঁর কারা বরণ করতে হতোনা। তিনি গণতন্ত্রের জন্য, দেশের জন, দেশের সার্বভৌমত্রের জন্য কোন ফ্যাসিস্টের সাথে আপোষ করেননি। যেমন করেননি স্বৈরাচার সরকার এরশাদের সাথে, তেমন করেনি বিগত সরকারের সাথে। তাঁর একটাই কারণ দেশের মৌলিক গণতন্ত্র, দেশে কথা বলার অধিকার, সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা, দেশের সমস্ত উন্নয়ন কর্মকান্ড, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান।
আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠার পক্ষে তাঁর অবস্থান, দেশে একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র গঠনের জন্য তাঁর অবস্থান এবং তিনি সর্ব শেষ দিন পর্যন্ত বাংলাদেশের একজন অভিভাবক হিসেবে ছিলেন। তাঁর জানাজায় উপস্থিত মানুষ প্রমান করে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রের একজন অভিভাবক ছিলেন। সেই অভিভাবকের চাওয়া ছিল মানুষের আমানত তারা তাদের ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচিত করবেন। ভোট দিয়ে তারা পার্লামেন্টে তাদের সদস্য পাঠাবে। যাঁরা তাদের আশা আকাঙ্খা পার্লামেন্ট থেকে রাষ্ট পরিচালনা করে একটি ভাল পদক্ষেপ নিবে।
বিএনপি প্রার্থী আজাদ বলেন, টংগিবাড়ী ও লৌহজং এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনে লাখ লাখ মানুষ ভিটেমাটি হারিয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে পদ্মা নদীতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করবো। এছাড়া তিনি কুমারভোগ ইউনিয়নে একটি হাই স্কুল স্থাপন, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার জন্য মাঠ নির্মাণ এবং মসজিদ, মাদরাসা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
পরে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
(এমকে/এসপি/জানুয়ারি ৩০, ২০২৬)
