তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : পায়ে হেঁটে ১৫০ কিলোমিটার পথ ভ্রমনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে গোপালগঞ্জ জেলা রোভার স্কাউটের ও রোভার। আজ শনিবার ভোরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মেইন গেইট থেকে তারা যাত্রা শুরু করেন। 

এ সময় জেলা রোভারের সম্পাদক ও গোবিপ্রবি’র ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুবাইর আল মাহমুদ (এ.এল. টি.), গোবিপ্রবি’র রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মজনুর রশিদ (উডব্যাজার) ৪ রোভার পটুয়াখালী জেলার পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করবেন।

এই পরিভ্রমণে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৩ শিক্ষার্থী রোভার ইমরান, রোভার অশোক, রোভার তরিকুল এবং সরকারি মুকসুদপুর কলেজের ১ শিক্ষার্থী রোভার মুরছালিন অংশ নিয়েছেন।
পরিভ্রমণ কারীরা বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা হয়ে পটুয়াখালী জেলার পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পোঁছাবেন। ৫ দিনের এ ভ্রমণে ৪ রোভার বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাৎ এবং সামাজিক সচেতনতা মুলক প্রচারণায় অংশ নেবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিভ্রমন টিমের দলনেতা ও গোবিপ্রবির ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, "আমি যদি সহজ ভাবে বলি,পরিভ্রমণ মানে হলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করা। তবে সাধারণ ভ্রমণ আর পরিভ্রমণের মাঝে পার্থক্য হলো, এখানে বিনোদনের চেয়ে শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের বাস্তব দিকটি বেশি গুরুত্ব বহন করে। মুলত প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের লক্ষ্যে ছয়টি পারদর্শিতা ব্যাজের অন্তর্ভুক্ত একটি পরিভ্রমণকারী ব্যাজ। এই ব্যাজ অর্জনের লক্ষ্য এবং অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য এই পরিভ্রমণ করছি।"

পরিভ্রমণ সম্পর্কে গোবিপ্রবি’র ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট শিক্ষার্থী ও রোভার তরিকুল বলেন, "পরিভ্রমণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশের খুব কাছাকাছি গিয়ে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পেয়ে থাকি।ঐতিহাসিক স্থাপনা দর্শন, সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারি এবং দীর্ঘ পথ পায়ে হাঁটার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হই। সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের মতো গুণাবলী অর্জনে সহায়ক। সেই সাথে চিত্তবিনোদন বা মানসিক প্রশান্তি অর্জনের সুযোগ তো আছেই। পাশাপাশি স্মৃতির ভান্ডার সমৃদ্ধিও করে থাকে।"

(টিবি/এসপি/জানুয়ারি ৩১, ২০২৬)