ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : “করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এ স্লোগান দিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, এদেশের মানুষ ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। আজ দেশের মানুষের হারিয়ে যাওয়া সব অধিকার ফেরত পাবার সময় এসেছে। ১২ তারিখ নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য নয়, এবারের এ নির্বাচন দেশকে পুনর্গঠন করার নির্বাচন।

দীর্ঘ ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে এসে শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় বড় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ রাজনৈতিক অধিকার পায়নি। যুবকদের কর্মসংস্থান হওয়ার কথা ছিল তা হয়নি, দেশের কৃষক অর্থনৈতিক সহযোগিতা পায়নি,নারীদের কর্মসংস্থান তৈরি করে স্বাবলম্বী করেনি বিগত স্বৈরাচারী সরকার। তাই ঘরের কর্তৃী নারীদের আমরা ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাই। এই ফ্যামিলি কার্ডে হবে নারীর অধিকার। কৃষকদের জন্য ফরমার্স কার্ড দেয়া হবে। বিএনপিকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করতে পারলে। দশ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে। মানুষকে ঋণের বোঝা থেকে বাঁচাতে রেজিস্টার এনজিও থেকে ক্ষুদ্রঋণ সরকার মওকুফ করবে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও সহ উত্তরাঞ্চলে কৃষি শিল্পায়ন গড়ে তোলা হবে যাতে এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। এ অঞ্চলের চিনিকলগুলি আধুনিকায়ন সহ বন্ধ রেশন কারখানা চালু এবং এ অঞ্চলের যে চা শিল্প রয়েছে সে শিল্পকে উন্নত করা হবে। এছাড়াও ঠাকুরগাঁয়ের এয়ারপোর্টটি চালুর ব্যবস্থা করা হবে।

তারেক রহমান দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা বিশ্বাস করি জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। তাই জনগণের সামনে এসে আমরা দাঁড়িয়েছি। জনগণের সমর্থন নিয়েই আমরা সরকার গঠন করতে চাই। জনগণই হচ্ছে এই দেশের মালিক, আমরা যত উন্নয়নের কথা বলি, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এ কাজগুলো করা সম্ভব নয়। আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই, আমরা খাদ্যে স্বাবলম্বী হতে চাই, আমরা মা বোনদের স্বাবলম্বী করতে চাই। তাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের কাজ করার সুযোগ দিন।

এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ দলের অন্যান্য নেতা কর্মী ও সমার্থকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

(এফআর/এসপি/ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬)