স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দিয়ে শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই সরব ছিলেন ভারতের সাবেক অফস্পিনার হরভজন সিং। তার দাবি, অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়েছে পাকিস্তানকে।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে কয়েক দিনের জটিলতা কাটে গত সোমবার।

লাহোরে আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বৈঠকের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন আসে। আইসিসি জানায়, বিশ্বকাপে না খেললেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এরপর পাকিস্তান সরকারও জানায়, আগের ঘোষণা থেকে সরে এসে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে দল।

এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হরভজন বলেন, পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত বাস্তবতা মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘অনেক দেরিতে হলেও তারা বুঝেছে, তাদের ছাড়া টুর্নামেন্ট চলতে পারে, কিন্তু ভারতকে ছাড়া নয়। তারা বলছিল বাংলাদেশের পাশে থাকবে, খেলবে না..এমন নানা কথা। যদি সেটাই সত্যি হতো, তাহলে করে দেখাক।’

আগেই পাকিস্তান অবস্থান বদলাবে বলে মন্তব্য করেছিলেন ৭০৭ আন্তর্জাতিক উইকেট নেওয়া এই স্পিনার।

তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি, তারা এটা করবে না। তারা ইউ-টার্ন নেবে এবং খেলবে। কারণ আর্থিক ক্ষতি এখানে অনেক বড় বিষয়। অর্থের প্রশ্ন এলেই তারা খেলতে আসবে।’

হরভজনের মতে, সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কাও সিদ্ধান্ত বদলের একটি কারণ।
তার ভাষায়, ‘আর্থিক ক্ষতি তো আছেই, ভবিষ্যতে নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিও ছিল। আইসিসি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারত, এমনকি বড় কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগও হারাতে পারত তারা। এসব ভেবেই ইউ-টার্ন নিয়েছে।’

এর আগে মাসের শুরুতে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা আসার পরও কঠোর মন্তব্য করেছিলেন ভারতের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য এই স্পিনার। তিনি তখন বলেন, ‘যদি সত্যিই তারা মনে করে বর্জন করতে পারবে, তাহলে সিদ্ধান্তে অটল থাকুক। দেখা যাক, সেই সাহস আছে কিনা। আমার কাছে পুরো বিষয়টি মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা বলেই মনে হয়েছে।’

(ওএস/এএস/ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬)