নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা
কুড়িগ্রামে জামায়াতের সেক্রেটারীকে কুপিয়ে জখম
প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলীকে কুপিয়ে জখম করছে দূর্বত্তরা। তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেতনা গ্রামের এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলীর শ্বশুরালয়ে।
এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী গতবৃহস্পতিবার রাতে নির্বাচনের পরে শ্বশুর আলতাব হোসেনের বাড়িতে যায়। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে তাঁর চাচা শ্বশুড় মোখলেসুর রহমান জমিতে পানি নিতে গেলে একই এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে আ: মান্নান ওরফে রোকন (৩৫) এর সঙ্গে ভোট দেয়া নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক সময় রোকন ও তার লোকজন মোখলেসুর রহমানকে বেধরক মারপিট করে পানিয়ে চুবিয়ে ধরে। খবর পেয়ে মোখলেসুর রহমানের বাড়ির লোকজনসহ জামায়াতের সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে রোকন বাড়ি থেকে ধান কাঁটার কাঁচি নিয়ে এসে পিছন দিক থেকে এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলীকে এলোপাতারি কোপায়। এতে করে এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলীর বাম ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করে রক্তাক্ত করেছে।এলাকাবাসীরা আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের চাঁন্দামারী ঝাঁকুয়া পাড়া গ্রামের ডা. মৃত আ. মতিনের ছেলে। আর আ:মান্নান ওরফে রোকন (৩৫) চেতনা এলাকার যুবদলের ওয়ার্ড কর্মী বলে তার প্রতিবেশীরা জানিয়েছে।
তবে পুলিশের এক ডিএসবি বলেন, আ:মান্নান ওরফে রোকন মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে। এর আগেও সে একজনকে কুপিয়ে পা কেটে দিয়েছিল।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত (দুপুর আড়াইটা) থানায় কেউ অভিযোগ করেননি।
(পিএস/এসপি/ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬)
