স্টাফ রিপোর্টার : নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রথমবারের মতো দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জনগণকে কনভেন্স করাটাই আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং।” 

তিনি বলেন, কোনো গোপন কৌশল নয় বরং সাধারণ মানুষকে আস্থায় নিয়ে তাদের পক্ষে নিয়ে আসাটাই ছিল তাদের একমাত্র রাজনৈতিক পরিকল্পনা এবং আলহামদুলিল্লাহ, তাতে বিএনপি পূর্ণাঙ্গভাবে সফল হয়েছে।

তারেক রহমান তার বক্তব্যে এই বিজয়কে ব্যক্তিগত কোনো অর্জন হিসেবে না দেখে একে গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত জয় হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, “এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের এবং এ বিজয় দেশের প্রতিটি অধিকারবঞ্চিত মানুষের। আজ থেকে আমরা প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন।”

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে একটি জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও গণঅধিকার পরিষদসহ ৫১টি রাজনৈতিক দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর হয়ে পড়া সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এক ভয়াবহ ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তাদের এই নতুন যাত্রা শুরু হচ্ছে।

তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনো অপশক্তি যাতে দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, সেজন্য দেশের প্রতিটি নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই ঐক্যই হবে আগামীর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের মূল শক্তি।

(ওএস/এসপি/ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬)