গোপালগঞ্জ- ১ আসনের সাধারণ জনগণ সেলিমুজ্জামানকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়
তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ- ১ (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) আসনের সাধারণ জনগণ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জনপ্রিয় এ নেতা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
সাবেক ৬ বারের সংসদ সদস্য ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খানের নির্বাচনী এলাকা এবং আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে সেলিমুজ্জামান সেলিমের বিজয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে আনন্দের বন্যা।
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সেলিমুজ্জামান সেলিম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এখন সবাই সমান। আমি সবার এমপি। সবার জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য।’
কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম শেখ বলেন, সেলিমুজ্জামান সেলিম একজন অহিংস ও জনবান্ধব রাজনীতিবিদ।
ভোটের আগে তিনি ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন। এ কারণেই ভোটাররা তাকে আপন করে নিয়েছেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে এ এলাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি, এ এলাকার কাঙ্খিত উন্নয়ন করার জন্য আমরা তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম পাবেল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে সেলিমুজ্জামান সেলিম বিজয় একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা। এ এলাকার উন্নয়নে সেলিমুজ্জামানকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া প্রয়োজন।’
মুকসুদপুর উপজেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু বলেন, তিনি শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছেন। আমরা চাই, তিনি মন্ত্রী হয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।’
সাজাইল ইউনিয়নের মাজড়া গ্রামের রিনা বেগম বলেন, “নির্বাচনের আগে তিনি আমার বাড়িতে এসে আমাকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করে ভোট চেয়েছেন।আমি ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। এখন আমরা তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”
সেলিমুজ্জামান সেলিম বলেন, আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি, প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাকে আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও আমি এভাবেই কাজ করে যাব।’
তিনি আরো বলেন, আগামী দিনগুলোতে শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করব।
মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘৪০ বছর ধরে রাজনীতি করছি। হামলা-মামলা ও নির্যাতনের মুখেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হইনি। আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি আমার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমি তা সাদরে গ্রহণ করব।’
(টিবি/এসপি/ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬)
