ঈদ যাত্রায় যানজট নিরসনে সমন্বয় সভা
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : ঈদ যাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানজট নিরসনে গৃহীত ট্র্যাফিক ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ লাইনসের মাল্টিপারপাস শেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার সভাপতিত্বে এসময় সেনাবাহিনীর মেজর রাজু, যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজি জাকেরুল মওলা, বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব খন্দকার ইকবাল হোসেন, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও মহাসড়ক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার চারলেনের কাজ চলছে। আসন্ন ঈদে মহাসড়কের এ অংশটুকু বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ঈদ যাত্রায় জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ এবং বিবিএর রেকারগুলো সচল থাকবে। ঈদের সাতদিন আগে মহাসড়ক থেকে রাস্তা মেরামতের ভারী যানবাহন সরিয়ে নিতে হবে, কোনো ক্রমে রাস্তার পাশে রাখা যাবে না। যমুনা সেতুর ওজন স্কেলে দৃশ্যমান খালি ট্রাক বাসের লেনে পার করতে হবে, যাতে ট্রাকের সারি দীর্ঘ না হয়। টোল প্লাজার সব বুথ চালুসহ অতিরিক্ত লেনের ব্যবস্থা করতে হবে। যমুনা সেতু গোল চত্বর থেকে ভূঞাপুর গামী রাস্তায় ঈদের সাতদিন আগে ও সাতদিন পর পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখতে হবে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন, ঈদযাত্রায় যমুনা সেতু দিয়ে সার্বক্ষণিক টোল চালু রাখার চেষ্টা করা হবে। এবার সেতুর দুই প্রান্তে ৯টি করে বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হবে। এরমধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য দুটি করে আলাদা বুথ থাকবে।
পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, যে সব জায়গায় সমস্যা হতে পারে ওইসব জায়গা আমরা চিহ্নিত করেছি। মহাসড়কে তিনটি শিফটে ২৪ ঘণ্টাই পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। ঈদের পাঁচদিন আগে থেকে মহাসড়কে পুলিশ যানজট নিরসনে এক হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। ঈদের পরও সাতদিন পুলিশ কাজ করবে। জেলা পুলিশের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশ সমন্বয় করে কাজ করবে।
(এসএম/এসপি/মার্চ ০৫, ২০২৬)
