শিতাংশু গুহ


মহুয়া মৈত্র বলেছেন, তৃণমূল না করলে সে বাঙ্গালীই নয়! মহুয়া, মমতা, সায়নী এদের কারো ঠিক বয়সে বিয়ে হয়নি, বা আদৌ বিয়ে হয়নি, এজন্যে এরা ঠিক প্রকৃতিস্থ নয়, তাই আবোলতাবোল বকে! পুরো পশ্চিমবঙ্গে এই সমস্যা, এজন্যে তৃণমূল বারবার জিতে? অরে ভাই, ঠিক বয়সে বিয়ে-শাদি করেন, ঘর-সংসার পাতেন, অভাব-অভিযোগ থাকলেও উল্টাপাল্টা বকবেন না, দায়িত্ববোধ থাকবে। পড়ন্ত বিকেলে বিয়ে করলেও মহুয়া মৈত্রের একটি সন্তান দরকার, তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কন্ডোম সায়নীদের পুরুষ দরকার। ভন্ড কবির সুমনের মেয়ে দরকার। যে দেবতার যে ফুলে পূজা হয়, তাকে তো সেই ফুল দিতে হয়! মমতা ব্যানার্জীর ঠিক সময়ে বিয়ে হলে একটি সংসার ধ্বংস হতো, না-হওয়ায় এখন একটি রাজ্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।  ভিডিওতে দেখলাম, কলকাতার এক মুসলিম বলছেন, মমতা ব্যানার্জী ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়া দরকার। সাথে আরো বললেন, আমাদের জ্বালা পুরো ভারত ভোগ করুক। বাংলাদেশের মুসলমান দিদিকে খুব ভালবাসে, আমি বাংলাদেশের মানুষ, আমাদের দাবি, দিদিকে ঢাকায় নিয়ে আসা হোক, কলকাতা বাঁচুক।  

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল মিলে ইরান আক্রমণ করার পর ভারতে ইরানের পক্ষে যত বিক্ষোভ হয়েছে পুরো বিশ্বে তা হয়নি। এই বিক্ষোভকারীরা মূলত: তৃণমূল, ইসলামী জঙ্গী, বামপন্থী এবং কিছু আবাল (এ শব্দটি খারাপভাবে নেবেন না, ভারতে এর অভাব নেই) এবং বৃন্দা কারাতের মত কিছু পথভ্রষ্ট, যারা মোল্লা তোষণে ব্যস্ত। দিল্লিতে হোলি’র দিন গায়ে রং পড়ায় মুসলমানরা মিলে এক হিন্দু তরুনকে মেরে ফেললো, এই মহুয়া, মমতা, সায়নী, সুমন, বৃন্দা-এদের কোন শব্দ শুনেছেন? অথবা বাংলাদেশে ক্রমাগত হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে এঁরা টু-শব্দ করেনা, কারণ লোকে বলে, ‘আব্দুলের’ সাথে ওদের মাখামাখি! আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আমি একটি পোষ্টে ইরানের নারীদের মুক্তি কামনা করেছি, ওঁরা তা করবে না, ওঁরা ‘হারেমে’-ই মুক্তি খোঁজে! বৃন্দা কারাত হিন্দুদের মাঝে বসে হিন্দুধর্মে নারী নির্যাতন নিয়ে বই লিখতে পারেন, ‘হালালা’ নিয়ে লিখলে ঘাড়ে মাথা থাকবে না? এঁরা হিপক্রেট, প্রগতি মানে আব্দুলের সাথে ঘুমানো বুঝে, আব্দুলকে সঠিক রাস্তা দেখানোর তত্ত্ব বোঝেনা। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু ২০২৬-এ টিএমসি মুক্ত না হলে ইরানের নারীদের মতোই অবস্থা হবে।

শুনলাম, দিল্লির বোরখা পড়া যে মহিলার গায়ে রং পড়েছিলো তিনি নাকি ধর্মান্তরিত মুসলমান? স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, একজন হিন্দু ধর্মান্তরিত হলে শুধুমাত্র একজন হিন্দু কমে তা নয়, হিন্দুর একজন শত্রু বাড়ে। এই মহিলা এর প্রমান। মমতা, মহুয়া এর প্রমান- না, এঁরা এখনো ধর্মান্তরিত হয়নি, পশ্চিমবঙ্গে ইসলামী শাসন কায়েম হলে দৌড়ে গিয়ে হয়ে যাবে। এঁরা হিন্দুর শত্রু। ভারতবর্ষের বামপন্থীরা এবং হিন্দু নামধারী ঐসব লেবাসধারীরা ভারতের শত্রু। আর একটা কথা বলে রাখি, ‘বাংলাপক্ষ’ নামে একটি ইসলামের ধ্বজাধারী একটি সংস্থা এখন তৃণমূলের পক্ষে মাঠে নেমেছে। এঁরা হিন্দুদের মাঝে বিভ্রান্তি ও বিভক্তি ছড়াচ্ছে। আমি এদের বলি, ‘ইসলামপক্ষ’। ‘বাংলাপক্ষ হচ্ছে ইসলামপক্ষ’-এনিয়ে আমার বহু মন্তব্য আছে, এদের থেকে সাবধান, এদের চরিত্র কবির সুমনের চরিত্রের অনুরূপ “ফুলের মত পবিত্র”। খোমিনীর জন্যে, রোহিঙ্গাদের জন্যে বা অনুপ্রবেশকারীদের জন্যে এদের মুখ ফোটে, হিন্দু’র জন্যে বুক ফাটে না, এদের পরিহার করুন। এঁরা এখন বাঙ্গালী বলে নাচছে, এঁরা বাঙ্গালীর শত্রু। এদের বিদায় করুন, নিজে বাঁচুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাঁচান।

লেখক : আমেরিকা প্রবাসী।