স্টাফ রিপোর্টার : বিটিআরসি নিয়োগ বিধি অনুসরণ না করে রাজস্ব খাতে ২৯ জন নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিট আবেদন দায়ের করেন বিটিআরসির ছয়জন উপপরিচালক। তারা হলেন—উপপরিচালক সঞ্জীব কুমার সিংহ, কাজী মো. আহসানুল হাবীব মিথুন, জাকির হোসেন খান, এস এম আফজাল রেজা, মো. আসিফ ওয়াহিদ ও মো. হাসিবুল কবির।

আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। সোমবার (০৯ মার্চ) তিনি জানান, বিটিআরসি নিয়োগ বিধি অনুসরণ না করে রাজস্ব খাতে ২৯ জন নিয়োগ দেওয়া হয়। বিজ্ঞান তথ্য প্রযুক্তি অডিট অধিদপ্তর ২০১৬-১৭, ২০১৯-২০২০ সালের অডিটে এ অনিয়ম ধরা পড়ে। পরবর্তীতে তারা ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর বিটিআরসিকে অনিয়মের বিষয়ে চিঠি পাঠিয়ে ব্যাখ্যা চান।

কিন্ত সে ব্যাখ্যা দেওয়া থেকে বিরত থাকে বিটিআরসি। মন্ত্রণালয়ও বিটিআরসিকে চিঠি দেয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি দেওয়া হয়। সেটাও করতে বিরত থাকে বিটিআরসি।

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত ট্রাস্কফোর্সের শ্বেতপত্রেও বিয়টি উঠে আসে। এটা প্রকাশের পর ১৪ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় ফের চিঠি পাঠায়। কিন্তু যে কোনো অজানা কারণে ব্যবস্থা নিতে অনীহা প্রকাশ করে বিটিআরসি। ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ২৯ জনকে পদোন্নতির জন্য পদক্ষেপ নেয়। তাই চাকরিত ৬ জন উপপরিচালক আইনি নোটিশ দেন।

এতে সাড়া না পেয়ে তারা রিট করেন। আদালত রুল জারি করেন। রুলে ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, মন্ত্রণালয়ের চিঠির আলোকে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এবং পদোন্নতির প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়েছেন।

দুই সপ্তাহের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক (প্রশাসন বিভাগ) এবং মন্ত্রণালয়ের অডিট উইংয়ের যুগ্ম সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

(ওএস/এএস/মার্চ ১০, ২০২৬)