কলাপাড়া প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে কমেন্টকে কেন্দ্র করে সালিশের নামে কাঁচামাল বিক্রেতা ইদ্রিস খানকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যনেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের অফিসে ডেকে নিয়ে মারধরে মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করে বিপাকে পড়েছে তার পরিবার। 

গত ৩ মার্চ কলাপাড়া থানায় প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহিরকে প্রধান আসামী করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ ঘটনায় জড়িত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। বরং মামলার আসামী ও তাদের স্বজনদের অব্যাহত জীবননাশের হুমকিকে এখন আতংকে রয়েছে নিহত ইদ্রিস খানের স্ত্রী ও দুই সন্তান।

তাই জীবনের নিরাপত্তা ও আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করে বুধবার সকাল ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত ইদ্রিস খানের স্ত্রী আমেনা খাতুন ও তার দুই সন্তান পারভেজ খান ও আলী হোসেন। এসময় তারা কলাপাড়া থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে কলাপাড়ার পাখিমারা বাজারে প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের অফিসে নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় ইদ্রিস খানকে । তার অপরাধ ছিল প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামের একটি মাংস রান্নার ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করেছিলো রাতে গরু চুরি করে আর দিনে ভোজ করে। এ ঘটনায় মারধরে অসুস্থ ইদ্রিস খান ২ মার্চ ঢাকার নারায়ণগঞ্জে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনার বিচার চেয়ে ৩ মার্চ নিহতের স্ত্রী ও দুই সন্তান ইদ্রিস খানের মরদেহ নিয়ে থানায় আসলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

নিহত ইদ্রিস খানের স্ত্রী ও সন্তানদের দাবি, তার বাবাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। এখন তাদের জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে। পটুয়াখালী পুলিশ সুপার তাদের বাসায় গিয়ে আসামীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলেও মামলার আট দিনেও পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

(এমকেআর/এসপি/মার্চ ১১, ২০২৬)