রাজবাড়ী প্রতিনিধি : রাজবাড়ীর পাংশায় চাঁদ না পেয়ে মোছা: নাহার বেগম (৭০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে বসতবাড়ি ভাংচুর করেছে মহিলা ইউপি সদস্য।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখত অভিযোগ দায়ের করেছে। 

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ১০ টায় উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে বলে দাবী করেছে।

ভুক্তভোগী মোছা: নাহার বেগম সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী এলাকার আ: সাত্তার শেখ এর স্ত্রী।

অভিযুক্তরা হলেন, সরিষা ইউনিয়নের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মোছা: নাজমা বেগম (৪৫), স্বামী মো: সিহাব শেখ (৫০) ও ছেলে মো: জিহাদ শেখ (১৮)। তারা সরিষা ইউনিয়নের বাজেয়াপ্ত বাগলী এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, পরিবারটি নতুন বাড়ি করার উদ্দেশ্যে গত বছর থেকে সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করলে অভিযুক্ত মোছা: নাজমা বেগম ও তার ছেলে ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন। সে সময় পরিবারটি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দেয়।সেই সূত্র ধরে আজ সকালে ভুক্তভোগী মোছা: নাহার বেগম কে মারপিট করে বাড়ি ভাংচুর করে অভিযুক্তরা।

ভুক্তভোগী মোছা: নাহার বেগম বলেন, আজ সকাল ১০ টার দিকে নাজমা বেগম ও তার স্বামী সন্তান আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে এসেছে আমাকে মারপিট করে। আমি দৌড়ে পালালে বাড়ি ভাংচুর করে। এসময় তারা বলতে থাকে আমাদের চাঁদা না দিয়ে নতুন বাড়ি করতে পারবি না।আজ তোকে মারলাম এর পর তোমার ছেলেদের মারবো।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো: নাজমা বেগম বলেন, আজ সকালে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে আমার প্রতিবেশী নাহার বেগমের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।এসময় তিনি আমার উপর অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। আমার ছেলে ওই কথা শুনে রাগচেক দিতে না পেরে ঘরের জানালার গ্লাস ভেঙে ফেলে। আমি তার ছেলের কাছে ফোন দিয়ে গ্লাস লাগানোর সব খরচ দিতে চাইছি।আমি কিংবা আমার স্বামী সন্তান তাদের কাছে কোন চাঁদা বা টাকা দাবী করে নাই।মারামারির সময় আমাকে কাছে একটা লাঠিও ছিলো না।

এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় লিখত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

(একে/এএস/মার্চ ১৩, ২০২৫)