পিপীলিকা এবং ফড়িং

দুটি ভাল বন্ধু ছিল – একটি পিঁপড়ে এবং একটি ফড়িং। ফড়িং সারাদিন আরামে কাটাতে এবং তার গিটার বাজাতে পছন্দ করত। পিঁপড়েটি, কিন্তু, সমস্ত দিন কঠোর পরিশ্রম করত। সে বাগানের সব কোণ থেকে খাবার সংগ্রহ করত, যেখানে ফড়িংটি আরাম করত বা তার গিটার বাজাত বা ঘুমাত। ফড়িংটি প্রতিদিনই পিঁপড়েকে একটি বিরতি নিতে বলত, কিন্তু পিঁপড়ে শুনত না এবং তার কাজ চালিয়ে যেত। শীঘ্রই, শীত এল। দিন ও রাত ঠান্ডা হয়ে গেল এবং খুব কম প্রাণী বাইরে বেরোত। ফড়িং কোনো খাবার পেত না এবং সব সময় ক্ষুধার্ত থাকত। কিন্তু, পিঁপড়েটির কাছে সারা শীত নিরুদ্বেগে কাটানোর মতো যথেষ্ট পরিমাণে খাবার সঞ্চিত ছিল।

গল্পের নীতিকথা
সময় ভালো থাকতে থাকতে কাজকর্ম গুছিয়ে নাও।

ভেজা প্যান্ট
অজয় একটি ছোট ছেলে যে তার স্কুল এবং তার সহপাঠীদের পছন্দ করত। একদিন, সে যখন তার ডেস্কে বসেছিল, তখন সে হঠাৎ ভেজা অনুভব করল এবং বুঝতে পারল সে তার প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছে! মনঃক্ষুণ্ণ অজয় জানত না কি করতে হবে বা বলতে হবে, কারণ সে জানত যে ক্লাসে সবাই তার প্যান্ট ভিজানোর জন্য তাকে নিয়ে মজা করবে। সে তার ডেস্কে বসে যে কোন সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করছিল। দীক্ষা ক্লাসের গাছপালাকে জল দেওয়ার জন্য একটি জগে করে জল নিয়ে যাচ্ছিল। অজয়ের ডেস্কের কাছে গিয়ে সে হঠাৎ হোঁচট খেয়ে জগের পুরো জল তার কোলে ফেলে দিল। অজয়কে সাহায্য করার জন্য সবাই দৌড়ে গেল। শিক্ষক দীক্ষাকে বকলেন এবং অজয়কে একটি অতিরিক্ত সেট শর্টস দিলেন। দিনের শেষে, অজয়ের সাথে বাসে দীক্ষার দেখা হলো। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি ইচ্ছে করে ওই কাজ করলে, তাই না?’ দীক্ষা উত্তর দিল, ‘আমিও আগে আমার প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছিলাম।‘

গল্পের নীতিকথা
অন্যদের প্রয়োজনে সাহায্য করো।

ভাল্লুক এবং দুই বন্ধু
দুই সেরা বন্ধু একটি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে একটি নির্জন এবং বিপজ্জনক পথ দিয়ে হাঁটছিল। সূর্য় অস্ত যেতে শুরু করলে, তারা ভয় পেয়ে গেল, কিন্তু একে অপরকে ধরে থাকল। হঠাৎ, তারা তাদের পথে একটি ভাল্লুক দেখল। ছেলেদুটির একজন নিকটতম গাছের দিকে দৌড়ে গেল এবং এক মুহুর্তের মধ্যে গাছে উঠে পড়ল। অন্য ছেলেটি জানত না যে কিভাবে গাছে উঠতে হয়, তাই সে মাটিতে শুয়ে পড়ে মারা যাওয়ার ভান করল। ভাল্লুকটি মাটিতে ছেলেটির কাছে এসে তার মাথার চারপাশে শুঁকল। ছেলেটি মারা গেছে ভেবে, ভাল্লুক তার পথে চলে গেল। গাছের ছেলেটি গাছ থেকে নেমে বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করল যে, ভাল্লুকটি তার কানে চুপিচুপি কী বলল। সে উত্তর দিল, ‘তোমার খেয়াল রাখে না এমন বন্ধুদের বিশ্বাস করো না।‘

গল্পের নীতিকথা
প্রয়োজনের সময় যে বন্ধু পাশে থাকে সে–ই প্রকৃত বন্ধু।