‘২০ সেঞ্চুরি হতে পারে, স্বপ্ন দেখতে তো মানা নেই’
স্পোর্টস ডেস্ক : অপেক্ষাটা ছিল বেশ দীর্ঘ। ২০২৩ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য তানজিদ হাসান তামিমের। এরপর তিনি খেলেছেন ৩০টি ওয়ানডে ও ৪৫টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। দীর্ঘ এই যাত্রার পর ৭৬তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে এসে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন তিনি।
ওয়ানডেতে নিজের ৩০তম ইনিংসে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনার। এত অপেক্ষা নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ থাকলেও ভবিষ্যতে ওয়ানডেতে অন্তত ২০টি সেঞ্চুরি করার স্বপ্ন দেখেন তানজিদ।
রবিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরা হন তানজিদ হাসান। নাহিদ রানার সঙ্গে যৌথভাবে হন সিরিজসেরাও।
দুটি গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তরুণ এই ওপেনার জানান নিজের অনুভূতির কথা। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়, দীর্ঘ অপেক্ষায় তিনি কতটা হতাশ ছিলেন।
তানজিদ বলেন, ‘আসলে দেখেন, একটু তো খারাপ লাগেই। কারণ সেঞ্চুরিটা আরও আগে হওয়া উচিত ছিল।
কিন্তু করতে পারিনি। অনেকগুলো ভালো ইনিংস ছিল, সেগুলোকে ক্যারি করতে পারিনি। যেটা অতীত হয়ে গেছে, ওইদিকে তাকাতে চাই না। সামনের দিকেই তাকাতে চাই। এখন যে রকম শেপে আছি, চেষ্টা করব এটা যেন ধরে রাখতে পারি।
তাহলে সেঞ্চুরির সংখ্যাও বাড়বে।’
রবিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে তানজিদের সেঞ্চুরির পর তার বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হান্নান সরকার ফেসবুকে লিখেছিলেন, তানজিদ ওয়ানডেতে ২০টি সেঞ্চুরি করবেন। বিষয়টি তানজিদকে জানানো হলে তিনি বলেন, ‘চেষ্টা করব। হয়তোবা এর থেকেও বেশি হতে পারে। স্বপ্ন দেখতে তো কোনো সমস্যা নেই।’
৯৪ রান থেকে ১০০-তে পৌঁছাতে তানজিদ খেলেন একটি ছক্কা। সেই ছক্কাতেই স্পর্শ করেন সেঞ্চুরির মাইলফলক। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এমন শট খেলার কারণ ব্যাখ্যা করে তানজিদ বলেন, ‘আমি পরিষ্কার মাথায় ছিলাম। না হলে ওই সময় কেউ এমন রিস্কি শট খেলত না। আমার কাছে মনে হয়েছে বলটা ভালো ছিল, তাই শটটা খেলেছি।’
বাউন্ডারি মারার সক্ষমতায় তানজিদ দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটারদের একজন। তবে তিনি জানান, নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নিয়ে মারমুখী ব্যাটিং করেন না। তার ভাষায়, ‘যখন ব্যাটিং করি, আমার মানসিকতা ইতিবাচক থাকে। আমার রেঞ্জে যেটা থাকে, সব সময় চেষ্টা করি সেটাকে বাউন্ডারিতে পাঠাতে।’
(ওএস/এএস/মার্চ ১৬, ২০২৬)
