অমর ডি কস্তা, নাটোর : নাটোরের বড়াইগ্রামের এক যুবক সৌদিআরবে কর্মরত অবস্থায় আকস্মিক তার মাথার ওপর পড়ে লোহার পাইপ। এতে তার মাথা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। পরে ওই দেশের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে মৃত্যু হয়। নিহতের লাশ বাংলাদেশে আনার জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত যুবকের নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩৬)। সে বড়াইগ্রামের মাঝগাঁও ইউনিয়নের আগ্রান পারকোল গ্রামের কলিমউদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে।

নিহতের আত্মীয় মিন্টু প্রামাণিক জানান, সৌদিআরবের একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানীতে চাকুরী করেন জাহাঙ্গীর আলম। প্রতিদিনের মতো গত সোমবার সে কাজ করছিলো ওই কোম্পানীর একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে। ভবনটির নীচে কাজ করার সময় আকস্মিক ৫তলা থেকে ৮ ফুট দৈর্ঘ্যরে ও ১০ ইঞ্চি পরিধির একটি লোহার পাইপ তার মাথার ওপর পড়লে মাথা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে জ্ঞান হারায়। সহকর্মীরা দ্রুত ছুটে এসে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর তার স্ত্রী-সন্তান ও মা-বাবা সহ স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আজাদ দুলাল জানান, জাহাঙ্গীর আলমের অকাল মৃত্যুটি বড়ই মর্মান্তিক, বেদনাদায়ক। তার শোকাহত স্বজনেরা অপেক্ষায় আছে প্রিয়জনের মৃতদেহটি কাছে পাওয়ার। যতদূর জানা গেছে মরদেহ বাংলাদেশের আনার জন্য সৌদিআরবস্থ বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করা হয়েছে।

(এডিকে/এসপি/মার্চ ১৯, ২০২৬)