আবদুল হামিদ মাহবুব

০১.
সুবোধের বোন হয় নাম দিই দূর্বা
দূর্বারা জ্বললে সেই ত্যাজে পুড়বা
কথাখান সব্বারে এইবার যায় বলা
প্রতিবাদ শিখে গেছে নেই ওরা অবলা।

০২.
সেই তো হলো সুখী মানুষ চাইলে পরেই ঘুম আসে
ঘুমকাতুরে ওই মানুষে, চায়নি তখন আশেপাশে
ঘুমের পরি এসে যখন আমার চোখে দিল চুম
রাষ্ট্র চালায় সংসদ তো! ওখানটাতেই দিলাম ঘুম!

০৩.
শিখণ্ডী করে তোরা রাখছো আমায় টিকিয়ে
কখন কি করতে হবে দিচ্ছো সেটা শিখিয়ে
মাইনকা চিপা একেই বলে ভালো করে জানছি
তোরা কেবল পদে রাখিস, তোদের সব মানছি।

০৪.
হেই হুঁশিয়ার হেই হুঁশিয়ার আমি আছি জাগ্রত
আবোলতাবোল বলছ তোরা তাই রয়েছি রাগত
খেজুর পাব খেজুর খাব, তোদের কেন বাগড়া
না খাই যদি কেমনে হবো; নাদুসনুদুস তাগড়া।

০৫.
আগুনঝরা বাজিয়ে বীণা আমরা জ্বলে উঠতে পারি
দেশ বাঁচাতে আমরা তরুণ সকল পানে ছুটতে পারি
স্বৈরাচারের করতে বিনাশ টুটি চেপে ধরতে পারি
দেশের জন্য এই আমরা গুলি খেয়ে মরতে পারি।

০৬.
সবাই জানে ভূত আছে আমিও জানি ওটা
কেউ জানেনা এই দেশেতে ভূত রয়েছে ক'টা
ভূতের হিসাব পেতে হলে পড়ুন ভূতের বই
ভূতগুলো সব পড়ছে ধরা লাগছে হইচই!

০৭.
খাল কাটলে কুমিরা আসে বলছে যারা এমন
কুমির ছাড়া হাসুর আমল কাটলো তাদের কেমন?
ত্রাণ লুটেছে ব্যাংক লুটেছে লুটলো জমিজমা
কুমির তাদের তাড়িয়ে খাবে, কেউ পাবেনা ক্ষমা!

০৮.
রঙ লেগেছে বনের মাঝে বন জেগেছে ফুলে
মৃদু বায়ু বইলো যখন উঠলো সে ফুল দুলে
ফুলের দোলায় মন দুলেছে চতুর্দিকই চকচকে
আমার কাছে সকল কিছু লাগছে এখন ঝকঝকে!

০৯.
যখন তার ক্ষমতা ছিলো হাসুর খেলো পানি পড়া
গায়ে গতরে নাদুস থাকায় এই ধরাকে করছে সরা
সরাজ্ঞানে পাপ বেড়েছে, পাপ তাকে ছাড়লো না
পালিশ থাকা দেহের চাম, রাখতে পালিশ পারলো না

১০.
বুকের ভিতর ধরুম ধুরুম কাঁপছে পুরো দেহ
খোদা তোমার রহম ছাড়া নাইতো আর কেহ
তুমি পারো বাঁচিয়ে দিতে আছে যারা বাসে
সেই নবীকে বাঁচিয়েছিলে খাইলো যাকে মাছে।

১১.
বিতর্কে দোষ নাই, ঘোষণার রোশনাই-
ঠিক পথে চালিয়ে দীপ দেয় জ্বলিয়ে
দীপ দেখে লড়েছি পরাজিত করেছি
এনেছি তো মুক্তি অকাট্য যুক্তি।