যুদ্ধাপরাধীরা স্মৃতিসৌধকে অপবিত্র করেছে : মোমিন মেহেদী
স্টাফ রিপোর্টার : নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, ৩৬ জুলাই নামক প্রতারণার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে এসে স্বাধীনতা বিরোধী- যুদ্ধাপরাধীরা স্মৃতিসৌধকে অপবিত্র করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা অর্পণের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, নির্মম বাস্তবতা এই যে, জাতির সাথে জুলাইতে প্রতারণা করেছে ছাত্র নামধারী কিছু ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। যারা পরবর্তীতে নিজেদেরকে ছাত্র শিবির-ছাত্র শক্তি-ছাত্র অধিকারসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে আত্মপ্রকাশের পরপরই নতুন দল ঘোষণা করেছে, নিবন্ধন নিয়েছে আবার সেই জোট নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল জামায়াতের সাথে জোটও করেছে। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা পরিচালিত সেই স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলো থেকে ৭৪ জন সংসদে যাওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। শুধু কি এখানেই শেষ, সংসদে গিয়ে তারা বলছে- ‘জুলাই যেখানে সেখানে মুক্তিযুদ্ধেও ইতিহাস প্রয়োজন নেই। এমতবস্থায় আমরা দেশ বিরোধী এই দলগুলোর নিবন্ধন যেমন বাতিল চাই, ঠিক তেমনি একাত্তরে ও চব্বিশে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাই।
এর আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মুন্নি আলম, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা প্রমুখ স্বাধীনতা যুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদের বিদেহ আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।
এসময় নেতৃবৃন্দ গণহত্যাকারীদের বিচারের পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীতার অপরাধে দেশদ্রোহী জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিটির নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানানোর পাশাপাশি আরো বলেন, নির্মমভাবে বাংলাদেশে স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের সমর্থকরা ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে ইউনূসের মত অপরাধী-দেশ বিরোধীর সহায়তায় জুলাই আন্দোলন করেছিলো। কেবলমাত্র ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে যারা মানুষের ক্ষতি করে, থানা পুড়িয়ে, পুলিশ হত্যা করেছে, তারা প্রমাণ করেছে ছাত্র নামধারীদের আড়ালে মূলত স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশে শান্তি-সমৃদ্ধি-ভাতৃত্ব নষ্ট করতে একের পর এক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েই যাবে।
(পিআর/এসপি/মার্চ ২৬, ২০২৬)
