কেন্দুয়া প্রতিনিধি : জব্দকৃত ১ হাজার ৯০ লিটার পেট্রোল বিক্রির লক্ষাধিক টাকা সরকারী কোষাগারে জমা করা হয়েছে। একই সাথে লাইসেন্সকৃত হিমালয় ফিলিং স্টেশনে প্রতি লিটার ১শ ১৭ টাকা দরে বিক্রি শুরু হয়েছে। 

জানা যায়, লাইসেন্স বিহীন অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদ রেখে ভোক্তাদের মাঝে সংকট সৃষ্টি করে প্রতি লিটার ২শ থেকে ২শ ৫০ টাকা দরে বিক্রি করে আসছিলেন কেন্দুয়া উপজেলার রামপুর বাজরের উসমান গণি নামের এক ব্যবসায়ী। এ খবর পান উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মোঃ রিফাতুল ইসলাম। তিনি শুক্রবার সন্ধার আগে অভিযান চালিয়ে ওই দোকান থেকে অবৈধ ১ হাজার ৯০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেন। পরে জব্দকৃত ওই পেট্রোল পুলিশ ও ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে প্রতি লিটার ১শ ১৭ টাকা দরে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৮টাকা ২দিনে বিক্রি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিক্রিত ওই টাকা থেকে পরিবহন, শ্রমিক, নিরাপত্তা ও আনুসাংগিক বাবত ১৯হাজার ৪৫০ টাকা খরচ বাদে ১ লাখ ৮হাজার ১০৮ টাকা সরকারী খোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
জব্দ করার সময় পেট্রোলিয়াম আইনের ২০১৬ এবং ভোক্তার অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক ওই দোকানির কাছ থেকে ৪০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ম্যাজিষ্টেট।

সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রিফাতুল ইসলাম জানান, লাইসেন্স বিহীন কোন দোকান থেকে এখন আর পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছে না। লাইসেন্স কৃত হিমালয় ফিলিং স্টেশন থেকে সরকার নির্ধারিত ১শ ১৭টাকা দরে ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে বিক্রি করা হচ্ছে। গত দুই দিনে ওই স্টেশন থেকে ৯ হাজার লিটার পেট্রোল বিক্রি করার পরও অনেক চহিদা রয়েছে। অথচ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জানান কয়দিন আগেও ৯হাজার লিটার পেট্রোল বিক্রি করতে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগতো।

ইউএনও জানান, সরকারী নিয়মেই পেট্রোল বিক্রির ১লাখ ৮ হাজার ১০৮ টাকা সরকারী কোষাগারে জমা হয়। পেট্রোল নিয়ে আর যাতে কোন কারসাজি ও অনিয়ম না হয় সে জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

(বিএস/এসপি/মার্চ ৩০, ২০২৬)