‘হাদীর খুনি ডিপ স্টেট’ হলে জড়িত নাহিদ গং’
স্টাফ রিপোর্টার : নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, ‘হাদীর খুনি ডিপ স্টেট’ হলে নাহিদ গং। কারণ নাহিদরা এই তথ্য গোপন রেখেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, এমপি হয়েছে আর এখন বলছে- ‘ডিপ স্টেট জড়িত’। নাহিদ, আসিফ মাহমুদ, আখতার, হাসনাত, হান্নান, জুমা-জাবের, মেজর জাহাঙ্গীরসহ ইনকিলাব মঞ্চ-এনসিপির শীর্ষ সকল নেতাদেরকে আটক করে রিমান্ডে নেয়া হলেই জানা যাবে কে ঘাতক। প্রয়োজনে ইউনূস এবং তার উপদেষ্টাদের সকলকে আইনের আওতায় আনা হোক।
আজ মঙ্গলবার সকালে তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘৯ কোটি ভোটার ‘না’-এর পক্ষে’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
সভায় প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা, সদস্য নাজিয়া খুশি প্রমুখ। এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, জাতির সাথে জুলাইতে প্রতারণা করেছে ছাত্র নামধারী কিছু ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। যারা পরবর্তীতে নিজেদেরকে ছাত্র শিবির-ছাত্র শক্তি-ছাত্র অধিকারসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা পরিচয় দিয়ে আত্মপ্রকাশের পরপরই নতুন দল ঘোষণা করেছে। ছাত্র নামের আড়ালে তারা মূলত পাকিস্তানসহ দেশ বিরোধী দেশগুলোর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। যে কারণে নির্মমভাবে তারাই হাদীকে সরিয়ে দিয়ে তাদের থলের বিড়াল আটকে রাখার ব্যবস্থা করেছিলো। কারণ হাদী তার মৃত্যুর আগে ঘণ ঘণ সত্যকথাগুলো বলা শুরু করেছিলেন। শুধু এখানেই শেষ নয়; তিনি বলেছিলেন ‘জুলাইকে পূঁজি হিসেবে নিয়ে এনসিপি ক্ষমতায় আসতে চাইছে, যা অন্যায়।’
মোমিন মেহেদী সংসদের বৈধতা নিয়ে এনসিপির নেতাদের বক্তব্য কোট করে আরো বলেন, তারা বলছে- ‘ইউনূস সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।’ যদি তাই-ই হয়, তাহলে তো এনসিপি-জামায়াত-বিএনপি সবারই সংসদ সদস্য পদ অবৈধ। তার উপর আবার এনসিপিকে নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল জামায়াত জোটও করেছে। যারা বাংলাদেশ চায়নি, তারা এখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার জন্য নির্মমতায় মেতে উঠছে একের পর এক। তারা সেই লক্ষ্যে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোর মধ্য থেকে ৭৪ জন সংসদে যাওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। শুধু কি এখানেই শেষ, সংসদে গিয়ে তারা বলছে- ‘জুলাই যেখানে সেখানে মুক্তিযুদ্ধেও ইতিহাস প্রয়োজন নেই। এমতবস্থায় আমরা দেশ বিরোধী এই দলগুলোর নিবন্ধন যেমন বাতিল চাই, ঠিক তেমনি একাত্তরে ও চব্বিশে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাই। স্বাধীনতা বিরোধীতার অপরাধে দেশদ্রোহী জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিটির নিবন্ধন বাতিলের দাবি এখন ৯ কোটি সাধারণ ভোটারের, যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি বাংলাদেশে দেখতে চায় না।
(পিআর/এসপি/এপ্রিল ০৭, ২০২৬)
