ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক : পিট হেগসেথ ও ড্যান ড্রিসকল-এর মধ্যে প্রভাব বিস্তার নিয়ে পেন্টাগনে দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের অপসারণের পর এই বিরোধ আরও প্রকাশ্যে এসেছে। সূত্রগুলো জানায়, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার জন্য ড্রিসকলকে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

কিছু কর্মকর্তার দাবি, হেগসেথ আশঙ্কা করছেন ড্রিসকল তার অবস্থানকে ছাপিয়ে যেতে পারেন। তবে পেন্টাগন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, হেগসেথ সব বাহিনীর নেতৃত্বের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখছেন।

তবুও অভ্যন্তরীণ সূত্রের মতে, হেগসেথের দল মনে করে ড্রিসকল পেন্টাগনের ভেতরে তার এবং প্রেসিডেন্টের নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন।

সম্প্রতি হেগসেথ একাধিক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন, যাদের মধ্যে ড্রিসকলের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। এতে প্রতিরক্ষা মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরান নিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি।

অন্যদিকে, ড্রিসকল দুই দলের মধ্যেই ইতিবাচক মূল্যায়ন পাচ্ছেন বলে জানা গেছে এবং তাকে সম্ভাব্য বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই দ্বন্দ্বের মধ্যেও হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয় নেতার ওপরই আস্থা রাখছেন এবং তাদের নেতৃত্বে সামরিক প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে।

বর্তমানে পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ এই ক্ষমতার লড়াই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে, যদিও উভয় পক্ষই প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।

(আইএ/এসপি/এপ্রিল ১০, ২০২৬)