বারো রকম বারো ছড়া
আবদুল হামিদ মাহবুব
০১.
একসাথে মিলে গেছে 'পঞ্চপাণ্ডব'
এইদেশে বেশি বেশি বুঝে তারা সব
কেউ আছে উপরে কেউ কিছু নীচে
এই সারি সোজা দেখি কেউ নয় পিছে!
০২.
উঠলো বেজে ঝুনঝুনি
উড়াল দেবে টুনটুনি
লাইন ঘাটে ছিলে গুণী
ও ফারুকী, কি সব শুনি!
০৩.
চব্বিশের গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড ডাইনী
মুজিব-জিয়ার এইদেশে আমরা তাকে চাইনি
চেতনার ব্যবসা করে 'জাতির পিতা' বেচে রে
এই দেশটা লুটেপুটে পালিয়ে সেতো গেছে রে!
০৪.
ইয়াহিয়া পেলো যেই চেহারা, গো.আযম ও হাসিনা
ইউনূস কেনো পায়নি ওটা! সেই চিন্তায় বাঁচিনা
আঁকছো যারা ইউনূস আঁকো ব্যাটা কেন বাদ রবে
মন্দ-ভালোর হিসাবটাতো ভবিষ্যতে করবে সবে।
০৫.
কি ঘটেছে কি হয়েছে? এরা কেন করজোড়ে!
হাত বদলে লাউটা কদু হয়ে গেছে ঘুরে ঘুরে
আজকাল থাকছে যারা একটু বেশি ফুরফুরে
সবাই জানে আঁতাত হয় ছোট-বড় চোরে চোরে।
০৬.
জনরায়ে দায়িত্বটা হইছে যখন ন্যস্ত
সংবিধানের বিধানে আছি এখন ব্যস্ত
মনে কোনই চিন্তা নাই, চিন্তা গেছে কমে
বাঁশির সুরে বিধানাবলি জপি মনে মনে!
০৭.
আমার সুযোগ আমিই নিছি অন্য কেউ পায়নি
খাইছি আমি পোলাও মাখন ওরা ওসব খায়নি
কানের কাছে ঘুরছে মাছি মারার নেই ইচ্ছা
মিষ্টি-মাছির কান্ডখানার জানেন তো সেই কিচ্ছা!
০৮.
খুব কি উনি চেনা মানুষ, পড়ছে না-তো নাম মনে
কানের কাছে অনেক মাছি ডাকছে ওরা ভনভনে
এমন হওয়ার কথা ছিল আসবে পা-টা টিপাতে
কিন্তু এখন কে হান্দালো ফাটা বাঁশের চিপাতে!
০৯.
আনছিলোত ইউনূচ্ছায় রাইখা দিছে এরা-ও
খলিল্লা তো চাল্লু মাল সেলাম ঠুকে ভেড়া-ও
দিল্লি গিয়ে খিল্লি খায় ওয়াশিংটনে মধু
বেইজিং ঘুরে বাক্সে আনে লাউয়ের সাথে কদু।
১০.
সব্বাই হাতে হাত ধরে চলি
সাম্যের সমাজের কথা বলি
নারী আর পুরুষের সমতায়
ভালোবেসে দেশগড়ি মমতায়।
১১.
এতো এতো মানুষ খুনে তোমারওতো ছিলো দায়
বুবুটা তো পালিয়ে গেলো পড়লে তুমি বেকায়দায়
সফলতায় পার করেছো, সবই তোমার ফার্স্ট ক্লাস
জেলের ভাত খাওয়ার এবার অভিজ্ঞতা হবে প্লাস!
১২.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ আর ধারার পরে ধারা
শালার শালা জোরসে পড়ে করল গরম পাড়া
আসলো ছুটে মানুষ সবে বললো, ব্যাটা ছাগল
সংবিধানই তোরে দেখি ছাড়বে করে পাগল!
