কাপাসিয়া প্রতিনিধি : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এখন চলছে স্থানীয় কতিপয় সাংবাদিকের অভিনব সাংবাদিকতা। বিষয়টি এমন হয়ে দাড়িয়েছে কোন ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলন বা মানববন্ধন করলে সাংবাদিকদের একটি গ্রুপ  উভয় ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করে কিছু হাত খচর বায়না করে অপর গ্রুপকে আবার মানব বন্ধন বা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করার প্ররোচনা করেন বলে উপজেলায় চাউর হয়ে গেছে। এতে করে কতিপয় সাংবাদিকদের চোর পুলিশ খেলাায় মেথে উঠছেন। আর বদনামের ভাগী হচ্ছেন উপজেলার প্রকৃত সংবাদকর্মীরা। উপজেলার কতিপয় ফেসবুক  সাংবাদিকদের এমন আচরনে প্রশাসনের মধ্যে চলছে অস্থিরতা। উপজেলা প্রশাসনের কাধে চড়ে বসে পড়েছে দলীয় পরিচয়ে এসব  কতিপয় সাংবাদিক। গভীর রাতে তারা প্রশাসনের বিঞ্জপন বন্টন করে থাকেন বলে চাউর রয়েছে। 

ঠিক তেমনি গত শনিবার উপজেলার ধানদিয়া ঈদগা মাঠে এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক নারীপুরুষরা গাজীপুর ডিসি অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক বেলায়েত হোসের বিরুদ্ধে মানব বন্ধন করার পর উপজেলার কতিপয় সাংবাদিকদের প্ররোচনায় মানব বন্ধনকারীদের বিরুদ্ধে তার ভাই ও পরিবার আজ কাপাসিয়ায় মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। উপজেলা রির্পোটাস ইউনিটি কার্যালয়ে।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বেলায়েতের ভাই আবুল কাশেম অভিযোগ করে বলেন, একই এলাকার আঁখি আক্তার নামে এক নারী ভিত্তিহীন দাবি তুলে তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও সংবাদ প্রচার করেছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।

তিনি জানান, উপজেলার ধানদিয়া এলাকার সোনাপুর মৌজার আরএস ৭০, ৭১, ৭২ ও ৭৪ খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত জমি ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন তার ভাই বেলায়েত হোসেন ও তিনি নিজে।

বেলায়েতের বিরুদ্ধে মানব বন্ধন করার সময় উপজেলার কয়েকটি গণ মাধ্যাম কমী উপস্থিত ছিলেন। যারা ওই মানব বন্ধনে উপন্থিত ছিলেন না সেই কতিপয় সংবাদকর্মীরা বেলায়েতকে পরামর্শ দিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বলে জানা যায়। শনিবারের মানব বন্ধনে বেলায়েতের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম,ভুলু চৌধুরী ও আলমগীর হোসেন

বেলায়েত হোসেন বিরুদ্ধ অভিযোগ, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং জেলা প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে জাল দলিলের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল, গাছ কর্তন ও জাল দলিল জালিয়াতি করে সাধারন মানুষকে হয়রানী করছেন।

সুত্র জানায়, শনিবারের মানব বন্ধনের পর সাংবাদিকরা বেলায়েতে বক্তব্য ও ছাপা হয়েছে বলে জানা যয়।

এদিকে আজকের সংবাদ সম্মেলনে আবুল কাশেম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত যে রায় দেবেন, আমরা তা মেনে নেব। কিন্তু আদালতের বিষয় চলমান থাকা অবস্থায় এ ধরনের মানববন্ধন ও বিভ্রান্তিকর প্রচার অনভিপ্রেত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

(এসকেডি/এসপি/এপ্রিল ২১, ২০২৬)