দীপক চন্দ্র পাল, ধামরাই : ধামরাই পৌর সভার লাকুরিয়া পাড়ার নহিদা আক্তার (১৬) নামের এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে ও ধারলো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ওই ছাত্রীর কানের দুল ও গলার লকেট নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে গেছে। ছাত্রী নাহিদা আক্ততার ঘটনার দিনই বাংলা দিতীয় পত্র পরীক্ষা দিয়ে বাসায় এসে গোসল করেছে।

এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে ধামরাই পৌর শহরের পশ্চিম লাকুরিয়া পাড়ার মোঃ সাব্বির হোসেনের বাড়িতে ঘটেছে। নাহিদা তার নানীর সাথে সাব্বিরের বাসায় ভাড়া থাকত। সেখান থেকেই নাহিদা ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলে লেখাপড়া করতো। সে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। ধারনা করা হচ্ছে বিকেল ৬ দিকে এ হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়েছে। নাহিদা পরীক্ষা দিয়ে বাসায় আসার পর তার নানী বাহিরে আসে দুধ কিনতে। নানী ফিরে এসেই দেথে চিৎতার করেন, তার আত্মচিৎকারে পার্শবকর্তী লোক ছুটে আসেন।

এসয়ংবাদ শুনে ধামরাই থানার ওসি মোঃ নাজমুল হুদা খান ও ওসি তদন্ত মোঃ শহীদুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জানা গেছে, নিহত নাহিদা আক্ত্র ধামরাই পৌর এলাকার পশ্চিম লাকুরিয়া পাড়ার মোঃ নূর হোসেনের মেয়ে।

নাহিদা নানীর সাথে থেকে লেখাপড়া করতো সে নানীর সাথে সাব্বির হোসেনের পাচ তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থেকে ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলে লেখাপড়া করতো নাহিদার নানী দেলোয়ারা বেগম বলেন, নাহিদার মা লীজা বিদেশে থাকে এজন্য নাহিদাআমার সাথে এই বাসায় থাকে বলেন। স্কুল থেকে নাহিদা বিকেলে চার টার বাসায় আসার পর নানী নাহিদাকে ঘরে রেখে দুধ আনতে বাহিরে যাই।

তিনি বলেন, অনুমান ঘণ্টা দেড়েক পর তিনি বাসায় এসে দেখেন দরজা খোলা। ঘরে ঢোকেই দেখী নাহিদা রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে। দেথেই চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। নাহিদাকে উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মূত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ নাজমুল গুদা খান বলেন, ঘটনার সংবাদ শুনেই দ্রুত ছুটে এসেছে। পরে লাশটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।লাশের গলায় কাটা ও কপালে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

তিনি বলেন, ময়না তদন্তের পর সঠিক কারন উদ্ঘাটন করা যাবে। তবে এ ব্যাপারে আসামি ধরা ও কারন উদঘাটনের অভিযান অব্যাগত রযেছে।

(ডিসিপি/এসপি/এপ্রিল ২৪, ২০২৬)