জ্বালানি তেলসহ সকল সংকট সমাধানের দাবিতে নতুনধারার সমাবেশ
স্টাফ রিপোর্টার : জ্বালানি তেলসহ সকল সংকট সমাধানের দাবিতে সমাবেশ করেছে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির প্রেসিডিয়াম মেম্বার কাজী মুন্নি আলম, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী, হরিদাস সরকার, আফতাব মন্ডল, হাশেম মোল্লা, জাতীয় শ্রমিকধারার আহবায়ক বাবুল মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক আ. সাত্তার, কাউসার বেপারী প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মোমিন মেহেদী বলেন, জুলাই নির্মমতার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন সংসদে ‘মুক্তিযোদ্ধারা গাদ্দার’ লিখে প্লাকার্ড উপস্থাপন করতে পারে কিন্তু জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখবার দাবি জানাতে পারে না। তারা ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রগকাটা বাহিনী নির্মাণ করতে পারে কিন্তু জনবান্ধব কমর্মসূচি দিয়ে দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবি জানাতে পারে না। বরং তাদের পোষ স্বাধীনতা বিরোধী সমর্থকগোষ্ঠী হাসনাত-নাহিদ গংরা নিজেদের গাড়ি-বাড়ি-নারীর দাবিতে সংসদে কথা বলা শুরু করেছেন। এমনকি ৭৪ টা এমপির কেউ দেশকে-দেশের মানুষকে ভালোবাসে না বলেই তেলের দাম বাড়লেও সংসদে তারা কোনো কথা বলে না। এসময় মোমিন মেহেদী আরো বলেন, হাম টিকা সংকটের মাধ্যমে শিশু হত্যার দায়ে ইউনূসসহ তার সকল উপদেষ্টার দুর্নীতি তদন্ত ও বিচার যেমন সময়ের দাবি, তেমনি নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি বাংলাদেশ বিরোধী চুক্তি হিসেবে আমেরিকার সাথে জনবিরোধী পদক্ষেপ নিয়েছে তা বাতিল করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকারীদেরকে সাথে নিয়ে দেশের অর্থনীতি, ধর্ম-মানবতা, শিক্ষা-সমাজ-সভ্যতাকে ধ্বংসকারী ইউনূস এবং তার সরকারের সকল উপদেষ্টা আইনের আওতায় আনা সময়ের দাবি। এই দাবি বিএনপি সরকার আমলে না নিলে, এদের বিচার না করলে জনগণ ক্ষমা করবে না। নতুনধারার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা তার বক্তব্যে বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশে শিশুদের মৃত্যুর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার দায়ে সাবেক উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের গ্রেফতার ও বিচার সাধারণ মানুষ চাইছে। হাদি হত্যাকাণ্ড ইউনূস সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার ও দেশে সহিংসতা তৈরির কারণে করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে যে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে, সে পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু তদন্ত ও তার রিপোর্ট জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।
(পিআর/এসপি/এপ্রিল ২৪, ২০২৬)
