ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী খুনের ঘটনায় মানববন্ধন বিক্ষোভ
দীপক চন্দ্র পাল, ধামরাই : ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলের ছাত্রী ও এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী খুনের ঘটনায় ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবকরা মিলে আজ রবিবার স্কুল প্রাঙ্গনে সকাল নটায় দোয় মাহফিলের আয়োজন করেছে। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যেগে স্কুল কার্যক্রম শেষে দুপুর দেড়টায় ধামরাই উপজেলা চত্তরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া নাহিদার প্রধান খুনি শামীম ওরফে স্বপনের দ্রুত ফাঁসির দাবিতে বিশাল এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
ধামরাই পৌর সভার লাকুরিয়া পাড়ার নাহিদা আক্তার (১৬) নামের এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে শিল পাথর দিয়ে আঘাত করে নির্মম ভাবে হত্যা করে ওই ছাত্রীর কানের দুল ও গল্রা লকেট নিয়ে খুনি পালিয়ে গেছে। ছাত্রী নাহিদা আক্ততার ঘটনার দিনই বাংলা দিতীয় পত্র পরীক্ষা দিয়ে বাসায় এসে গোসল করেছে।এর এ খুনের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টার দিকে ধামরাই পৌর শহরের পশ্চিম লাকুরিয়া পাড়ার মোঃ সাব্বির হোসেনের বাড়িতে।নাহিদা তার নানীর সাথে সাব্বিরের বাসায় ভাড়া থাকত। সেখানথেকেই নাহিদা ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলে লেখাপড়া করতো।সে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।ধারনা করা হচ্ছে বিকেল ৬ দিকে এ হত্যাকান্ডটি সংগঠিত হয়েছে।নাহিদা পরীক্ষা দিয়ে বাসায় আসার পর তার নানী বাহিরে আসে দুধ কিনতে । নানী ফিরে এসেই দেথে চিৎতার করেন ,তার আত্মচিৎকারে পার্শবকর্তী লোক ছুটে আসেন।
এ সংবাদ শুনে ধামরাই থানার ওসি মোঃ নাজমুল হুদা খান ও ওসি তদন্ত মোঃ শহীদুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নিহত নাহিদা আক্ত্র ধামরাই পৌর এলাকার পশ্চিম লাকুরিয়া পাড়ার মোঃ নূর হোসেনের মেয়ে।
নাহিদা নানীর সাথে থেকে লেখাপড়া করতো সে নানীর সাথে সাব্বির হোসেনের পাচ তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থেকে ধামরাই সেন্ট্রাল স্কুলে লেখাপড়া করতো নাহিদার নানী দেলোয়ারা বেগম বলেন, নাহিদার মা লীজা বিদেশে থাকে এজন্য নাহিদাআমার সাথে এই বাসায় থাকে বলেন। স্কুল থেকে নাহিদা বিকেলে চার টার পরে বাসায় আসার পর নানী নাহিদাকে ঘরে রেখে দুধ আনতে বাহিরে যাই।
তিনি বলেন, অনুমান ১ ঘণ্টা পর তিনি বাসায় এসে দেখেন দরজা খোলা।ঘরে ঢোকেই দেখী নাহিদা রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে। দেথেই চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।নাহিদাকে উদ্ধার করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মূত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে ধামরাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ নাজমুল গুদা খান বলেন, ঘটনার সংবাদ শুনেই দ্রুত ছুটে এসেছি। পরে লাশটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশের গলায় কাটা ও কপালে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
তিনি বলেন, ময়না তদন্তের পর সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করা যাবে। তবে এ ব্যাপারে আসামি ধরা ও কারন উদঘাটনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ ঘটনার এক দিসের মধ্যেই শুক্রবার প্রধান খুনি শামীম ওলফে স্বপনকে গ্রেফতার করেছে। আদালতে তার স্বীকারোক্তিও দিয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এই থুনির ফাসির দাবিতেই আজকের এই মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও দোয়া মাহফিল করেছে সেন্ট্রাল স্কুল।
(ডিসিপি/এসপি/এপ্রিল ২৭, ২০২৬)
