মো. মাসুদ খান, মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং বেসরকারী ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার মালিক সমিতি, বাংলাদেশ কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট মালিক সমিতি, প্রেস/মিডিয়া প্রতিনিধি ও ফার্মাসিটিক্যাল প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভা হয়েছে। 

আজ সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভা কক্ষে এ মত বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সভায় সাংবাদিকরা ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারগুলোর অনিয়ম ও অপব্যবহারের বিষয়গুলো বিষদ আকারে তুলে ধরেন। তারা ডাক্তারের প্রেসক্রিবিশন ছাড়া অবাধে ওষুধ বিক্রির না করার জন্য ফার্মিসিগুলোর মালিকদের প্রতি আহবান জানান। প্রতিনিধি বা ব্রোকার পাঠিয়ে ক্লিনিকগুলো থেকে রোগী নিয়ে এসে নিজেদের ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে পরীক্ষা নিরিক্ষা করানোর ব্যাপারে বক্তাগণ তীব্র সমালোচনা করেন। এছাড়া এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বর্জ্য ব্যবস্থা নিয়েও কড়া সমালোচনা করা হয়।

উপজেলা সেনেটারী ইনস্পেক্টর নাজমুল ইসলাম সভাকে জানান, উপজেলায় মোট ৪টি বেসরকারী ক্লিনিক ও হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়া ডায়াগনষ্টিক সেন্টার রয়েছে ৯টি। ৪টি ডায়াগনষ্টিক সেন্টার বাদে কারো কোন কাগজপত্র হাল সান নবায়ন নেই। আবার মেডিকেয়ার ও সন্ধানী নামে ২টি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের কোন সাইসেন্স নেই। একটি ক্লিনিক ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার গত ৪ বছর ধরে তাদের লাইসেন্স হাল নাগাদ করছেনা।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তার বক্তব্যে দ্রুত সকলের কাগজপত্র হাল নাগাদ করার তাগিদ দিয়ে বলেন, এরপর আর কোন সুযোগ দেয়া হবেনা। কাগজপত্র ঠিক না করলে এসকল প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফাহমিদা লষ্করের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. এরফানুর রহমান, লৌহজং থানার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উল ইসলাম, বিক্রমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মাসুদ খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইদুর রহমান টুটুল, লৌহজং প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান ঝিলু, লৌহজং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু নাছের লিমন, সাংবাদিক শেখ সোহেল রানা, ফৌজি হাসান খান রিকু, আসাদুজ্জান ছাড়াও লৌহজং উপজেলা বেসরকারী ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন কিসলু, কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন প্রমূখ।

(এমকে/এসপি/মে ০৪, ২০২৬)