বিপুল কুমার দাস, রাজৈর : মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার মোল্লাদি গ্রামের সোহরাব চৌকিদার এর ছোট ছেলে আকাশ চৌকিদারকে ২০ লাখ টাকায় বোডি কন্ট্রাটে ইতালি পাঠানোর কথা বলে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের শ্রীনাদী গ্রামের দালাল সফিজুল শিকদার ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপরও আকাশ শিকদার নিখোঁজ।

ভুক্তভোগী আকাশ এর বড় ভাই আলী আজম শিকদার সাংবাদিকদের জানান আমার ছোট ভাই আকাশ শিকদার কে বোডি কন্ট্রাটে ২০ লাখ টাকায় ইতালি পাঠানোর ব্যবস্থা করবে বলে দালাল সফিজুল শিকদার ও তার বাবা আলমগীর শিকদার এর সাথে কথা হয়, তারই প্রেক্ষিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আমার ছোট ভাই আকাশ শিকদারকে বোডি কন্ট্রাটে ইতালি পাঠানোর বাবদ ২০ লাখ টাকা ক্যাশ, দালাল সফিজুল এর চাচা জাহাঙ্গীর শিকদারকে সামনে রেখে দালাল সফিজুল শিকদার এর বাবা আলমগীর শিকদার এর হাতে তুলে দেই। এবং ইতালি পাঠানোর ১৫ দিন পর লিবিয়ায় মাফিয়ার হাতে আমার ছোট ভাই আকাশ চৌকিদার ধরা পরলে, দালাল সফিজুল আকাশ কে চাপ দিয়ে তার পরিবারের কাছ থেকে আরো ৩০ লাখ টাকা চাওয়ায়। উক্ত টাকা দিতে অপারগতা কারণে ৩০ টাকার মূল্যের আমাদের বাড়ির জায়গা অর্থাৎ আমাদের শেষ সম্বলটুকু দালাল সফিজুল এর বাবার নামে দলীল করে দেই। উক্ত টাকা দেওয়ার কিছু দিন পর থেকে আমার ছোট ভাই আকাশ নিখোঁজ। ভূক্তভোগীর বড় ভাই আলী আজম সাংবাদিকদের আরও জানান আমার ভাইকে ফেরত চাই ও সরকারের কাছে দালাল সফিজুল শিকদার ও তার বাবা আলমগীর শিকদার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ভুক্তভোগীর বাবা সোহরাব চৌকিদার জানান, দালাল সফিজুল শিকদার ও তার বাবা আলমগীর শিকদার এর কাছে, আমার ছেলে আকাশ এর খোঁজ খবর নিতে গেলে বলে তোর ছেলে আকাশ মারা গেছে, কিছু টাকা -পয়সা দেই চুপচাপ থাকে, কোন বারাবারি বা মামলা করলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমরা নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি। আমরা, আপনাদের ও সরকারের কাছে, আমার ছেলে আকাশ কে ফেরত সহ দালাল সফিজুল শিকদার ও তার বাবা আলমগীর শিকদার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ভুক্তভোগীর মা, আর্তনাদ করে জানান,আমার ছেলেকে জীবিত ফেরত চাই। আমি দালাল সফিজুল ও তার বাবা আলমগীর শিকদার এর কঠিন বিচার চাই।

(বিডি/এসপি/মে ০৫, ২০২৬)