মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী : নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে উল্টো দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের মামলাসহ ৪/৫টি মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন মো. ছালেহ উদ্দিন নামের এক ঠিকাদার।

তারই প্রতিবাদে বিচার চেয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে সুবর্ণচর প্রেসক্লাব সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ছালেহ উদ্দিন বলেন, তিনি বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ায় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে হয়রানি করতে এই মিথ্যা মামলাটি দায়ের করেন তারই কর্মচারী জাহাঙ্গীর। এর পর সামাজিক ভাবে টাকা চাইতে গেলে মানিচুট মামলা, বাড়ী ঘরে হামলার মামলা এবং বর্তমানে শালিস নামার বিরুদ্ধে আরো ৩ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানীর অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা সালেহ উদ্দিন। শুধু তাই নয় উকিল নোটিশ, রেজিষ্টার্ড এ.ডি ভূয়া ঠিকানায় প্রেরণ করে গ্রেফতার করেন। অভিযুক্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার চরজুবলী মধ্যপুকুরের উত্তর কচ্ছপিয়া এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ঠিকাদার মো. ছালেহ উদ্দিন একই এলাকার এস.এস কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী।

সংবাদ সম্মেলনে ছাপ ঠিকাদার ছালেহ উদ্দিন বলেন, পন্টন ক্রয় ও নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বালি সরবরাহের জন্য তার কর্মচারী জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন এবং কাজের জন্য তাকে ৩২ লাখ টাকা অগ্রিম প্রদান করেন। কিন্তু ১০ লাখ টাকার কাজ শেষ করে এস.এস কর্পোরেশনের ছালেহ উদ্দিনের স্বাক্ষরকৃত কয়েকটি বিল প্যাড ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। পরে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে ২০২৩ সালের জুন মাসে মাইজদী শহরে একটি ভূয়া ঠিকানা দেখিয় ছালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা করেন প্রতারক জাহাঙ্গীর।

সালেহ উদ্দিন আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোর্রেশনের নিতীমালা অনুযায়ী জাহাঙ্গীর মানিচুটের যে মামলা করেছেন সেটার মধ্যে আমি পড়িন না আমি একজন সাধারণ ছাপ ঠিকাদার। আমার কোন ঠিকাদারি লাইসেন্স নেই। আমার পাওনা ২২ লাখ টাকার জন্য জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দিয়েছি। সেটি পিআইবি তদন্তে পাওনা টাকা পাবে মর্মে সত্যতা মিলেছে। প্রতারক জাহাঙ্গীর স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর পলাতক থাকলেও আমি মামলার কারণে সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমি এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

(এস/এসপি/মে ১২, ২০২৬)