‘তৌহিদী জনতায় গুপ্ত জামায়াত-হেফাজত-এনসিপি’
স্টাফ রিপোর্টার : নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, আজ মিরপুর মাজারের ভক্ত আশেকানদের দ্বারা এনসিপি-এবি পার্টির নেতাসহ ফরহাদ মাজহারকে যে অপমান করেছে, তা-ই প্রমাণ করেছে যে, তৌহিদী জনতায় গুপ্ত জামায়াত-হেফাজত-এনসিপি আছে।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মাজার হামলা ও সারাদেশ মব বন্ধের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশ ও মশাল মিছিলে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, আজ জাতি প্রমাণ পেয়েছে যে, জামায়াত-শিবির গত ৫৫ বছর ধরে ঘরে ঘরে যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থক তৈরি করেছে। ছাত্র আন্দোলনের নামে মানুষের সাথে প্রতারণা করে সেই ছাত্ররাই উপদেষ্টা হয়ে, এমপি হয়ে যুদ্ধাপরাধী- দেশ বিরোধীদেরকে পুর্নবাসিত করেছে।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, জাতীয় শ্রমিকধারার আহবায়ক বাবুল মিয়া, জাতীয় শিক্ষাধারার সদস্য জুবায়ের, গীতিকার রুবেল প্রমুখ। এসময় সংহতি প্রকাশ করেন এডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তী ও আয়াতুল্লাহ পাটোয়ারি আল কাদেরীয়া প্রমুখ।
এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ আগস্টের পর মাজারে হামলা, ধর্ষণ, খুন-মব বেড়েছে অতিতের চেয়ে ৫০ ভাগ বেশি। ৫ আগস্টের পর কিছু ঘাত ক্ষমতায় এসে ১৭ মাস সারাদেশে অশান্তি তৈরি করেছে। এই ঘাতকদের কারণে আজ জাতি দিশেহারা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি-দুর্নীতি-খুন-ধর্ষণ-নিপীড়ন আর মবের কারণে। তারা এখন বাঁচার জন্য নীতিবান নেতৃত্ব চাইছে। ১৫ মে বিকেলে তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘হামসহ চলমান সংকট নিরসনের দাবিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপরোক্ত কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকারের কথা কি আর বলবো, বাংলাদেশ বিরোধীদের পক্ষে তারাও কাজ করছে। যে কারণে অতিতের মতই গৃহপালিত বিরোধী দল নিয়ে বিএনপি সরকারের ২ মাসে সংকট ও নাটক বেশি হয়েছে, জনগণ পরেছে চরম কষ্টসময়ে। বিএনপি সরকার ও পৃহপালিত বিরোধী দল বা যুদ্ধাপরাধী ও তাদের সমর্থকদের ১১ দলীয় জোটের কারণে নির্মমভাবে বাংলাদেশে সংকট বেড়েছে। শুধু জ্বালানি তেল সংকটই নয়; শুরু হয়েছে চাকুরি, ব্যবসার মন্দাও। সেই সাথে অর্থনেতিক অবস্থাও নাজুক। এমতবস্থায় মব বা হামলা বন্ধ, মিথ্যে মামলা বন্ধ, খুন-ধর্ষণরোধ, জ্বালানি তেল সংকট সমাধানসহ সুপরিকল্পিত পদক্ষেপে এগিয়ে যেতে ব্যর্থ হলে সুশীল লোকদেরকে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী বানিয়েও শেষ রক্ষা পাবে না তারেক রমহান সরকার।
(পিআর/এসপি/মে ১৮, ২০২৬)
