রিয়াজুল রিয়াজ, বিশেষ প্রতিনিধি : ফরিদপুরে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, কোর্ট বিল্ডিং শাখার ম্যানেজার (এজিএম-৩৮২০২) ফিরোজার রহমান এর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারীতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, কাস্টমার হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি রাজধানীতে অবস্থিত ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় ও সোনালী ব্যাংকের ফরিদপুর জেনারেল ম্যানেজার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী।

এ অভিযোগ পত্রে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশে পূর্বের দায়িত্বরত একটি সমবায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কমিটির উক্ত শাখায় ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় অসহোযোগিতা, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নানা অজুহাত সৃষ্টি এবং একই বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের আইন বিভাগের পরামর্শকের নির্দেশনা অমান্য করে উক্ত মামলার একজন বিবাদীর সাথে যোগসাজসে একটি মহলের ইশারায় ম্যানেজার ফিরোজার রহমান খামখেয়ালীপনা করে প্রায় ৬ মাস সময় যাবৎ ওই গ্রাহককে হয়রানি করে আসছেন। যার ফলে ভুক্তভোগী অভিযোগকারীর প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বাঁধাগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগও উঠেছে ম্যানেজার ফিরোজার রহমান এর বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী জানান, কোন প্রতিষ্ঠানের বা ব্যাক্তির ব্যাংক হিসাব পরিচালনা বন্ধ করতে হলে আদালত এর নির্দেশ থাকতে হয়। কিন্ত কোন অসাধু বা স্বার্থান্বেষী মহল বা সংশ্লিস্ট কোনো অসাধু কর্মকর্তার সুপারিশে এসব ব্যাংক হিসাব বন্ধ করা যায় না।

ওই ভুক্তভোগী আরও জানান, ফিরোজার রহমান একটি পক্ষের দ্বারা পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে আমাকে এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি করে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করার পাশাপাশি ব্যাংকের নিয়ম নীতির তোয়াক্কাও করছেন না তিনি।

অভিযোগ পাওয়ার পর এ বিষয়ে তদন্ত চলছে জানিয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সোনালী ব্যাংক পিএলসি, কোর্ট বিল্ডিং শাখা এর ম্যানেজার ফিরোজার রহমান এর বিরুদ্ধে আনিত এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফিরোজার রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, 'আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে জেনেছি হেড অফিস থেকে তদন্ত শুরু হওয়ার পর। ইতিমধ্যে আমি আত্মপক্ষ সমর্থনে দুই পাতার একটি জবাব দাখিল করেছি। যেহেতু বিষয়টির তদন্ত চলছে এ বিষয়ে বারতি কোনো কথা আর বলতে চাই না।’

(আরআর/এসপি/মে ১৮, ২০২৬)