আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সার সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সাধারণত বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সার এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

উপসাগরীয় দেশগুলো বিশ্বে ব্যবহৃত ইউরিয়ার ৪১ শতাংশ রপ্তানি করে। এছাড়া তারা অ্যামোনিয়া, ফসফেট শিলা ও সালফারেরও বড় অংশ সরবরাহ করে, যা কৃষির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে নাইট্রোজেন ইউরিয়ার দাম প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এত বেশি দাম আর দেখা যায়নি।

জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, এই সরবরাহ ব্যাহত অবস্থা চলতে থাকলে আরও প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে। এতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ঘাটতির মুখে থাকা মানুষের সংখ্যা রেকর্ড ৩৬ কোটি ৩০ লাখে পৌঁছাতে পারে।

যুক্তরাজ্য সতর্ক করেছে যে, ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধ বৈশ্বিক খাদ্য সংকট তৈরি করতে পারে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুপার বলেছেন, বিশ্ব ধীরে ধীরে একটি বড় সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, অথচ অনেকেই তা বুঝতে পারছে না।

তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সারবাহী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে চলাচলের সুযোগ দিতে হবে।

তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা

(ওএস/এএস/মে ২০, ২০২৬)