তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখি সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চালক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরো ১৫ যাত্রী। এ ঘটনায় প্রায় দেড় ঘন্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ ছিলো| নিহতের নাম পরিচয় পাওয়া যাযনি।

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাশুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহতরা হলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আব্দুল কালামের ছেলে আব্দুল করিম(২৮), কোটালীপাড়া উপজেলার বাগান উত্তর পাড়া গ্রামের সামাদ শেখের ছেলে হালিম শেখ (৫৮), একই উপজেলার টুপুরিয়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে আজিজুর রহমান (৪৫), একই গ্রামের কালাম মোল্লার মেয়ে ফাতেমা (৪২), আজিজুর রহমানের মেয়ে তাহসিনা (২০), একই উপজেলার বন্দে আলীর ছেলে রিফাত আলী (২০), একই উপজেলার মাঝবাড়ী গ্রামের দাউদ দাড়িয়ার ছেলে মামুন দাড়িয়া (৪২) ও প্রাইভেট কারের চালক খুলনার ছোট বয়রার লোকমান ফরাজী ছেলে রাব্বি (২৯)।

গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারি পরিচালক শিপলু আহম্মেদ জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়াগামী স্টার এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে অপর একটি বাসকে ওভারটেক করতে গেলে বিপরীতমুখী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় অপর একটি প্রাইভেটকারও পিছন দিক থেকে সজোরে মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয়, এতে যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে এবং মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার সড়কের ওপর দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালক ঘটনাস্থলে নিহত এবং বাস ও প্রাইভেটকারের অন্ততঃ ১৫ যাত্রী আহত হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সর্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এর মধ্যে গুরুতর আহত ১৩ জনকে গোপালগঞ্জ মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় দেড় ঘন্টা ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ থাকে। ৩ টার পর প্রাইভেটকার ও মাইক্রেবাস সরানোর পর ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে অসে।

(টিবি/এসপি/মে ২৫, ২০২৬)