বিদ্যুৎ-তেল-দ্রব্যমূল্য না কমালে সংসদ ঘেরাও কর্মসূচি দেয়া হবে : এনডিবি
স্টাফ রিপোর্টার : ১১ জুনের আগে বিদ্যুৎ-তেল-দ্রব্যমূল্য না কমালে সংসদ ঘেরাও কর্মসূচি দেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির নেতৃবৃন্দ।
আজ শনিবার নতুনধারার প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান এক যৌথ বিবৃতিতে এ হুশিয়ারি দেন।
বিবৃতিতে আরো বলেন, যদি দেশের কথা না ভেবে বাংলাদেশ বিরোধী একের পর এক সিদ্ধান্ত নিতেই থাকে, তাহলে ভোট দিতে না যাওয়া ৬ কোটি ও না ভোট দেয়া প্রায় আড়াই কোটি মানুষ সম্মিলিতভাবে বাজেট অধিবেশনকে পÐ করে দেবে। বিক্ষুদ্ধ জনতা তখন কিন্তু আর শিক্ষার্থী-শিক্ষক দেখবে না, যাকে যেখানে পাবে, বৈষম্য দূর করতে না পারার অপরাধে পায়ের তলায় পিষ্ট করে ছাড়বে।
বিবৃতিতে মোমিন মেহেদী বলেন, ২২ পরিবারের হাত থেকে ২২ হাজার আমলার খপ্পড়ে পরেছে বাংলাদেশ। যেই আমলাদের গাড়ি-বাড়ি-কাড়িকাড়ি টাকা করার নেশায় আজ যখন তখন জনগণের কাঁধের উপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কষাঘাত, জ¦ালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কুঠারাঘাতসহ শত শত দেশ-জনতা বিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এখান থেকে সুপরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সরতে না পারলে নিজেদের তৈরি করা গর্তে নিজেরাই পরবে। তখন আর তাদের যুগপৎ সঙ্গীরাও তাদেরকে রক্ষা করতে আসবে না; বরং সেই সুযোগে ক্ষমতার মসনদে বসে যাওয়ার চেষ্টা করবে।
বিবৃতিতে নতুনধারার নেতৃবৃন্দ আমলাদের কঠোর সমালোচনা করে আরো উল্লেখ করেন, আমাদের শিক্ষা ধ্বংস হয়েছে কেবলমাত্র আমলাদের কারণে। তাদের সন্তানরা পড়ালেখা করছে উন্নত বিশ্বের দেশে; আর আমাদের শিক্ষা ও সমাজ ধ্বংস হয়েছে, তাদের সন্তানরা বাড়ি করছে দেশের বাইরে; মাদকে সয়লাব হয়েছে বাংলাদেশ আর তারা তাদেও পুরো পরিবারকে স্যাটেল করেছেন উন্নত দেশগুলোতে। তাদের পাশাপাশি কিছু অসাধু রাজনীতিকও পুরো গোষ্ঠিসহ দেশের বাইরে গিয়ে উঠেছেন দেশকে দেউলিয়া করে। আসন্ন বাজেটের আগে এই সব লুটেরা রাজনীতিক ও প্রশাসনিক সাবেক ও বর্তমান কর্তাদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদেও অবৈধ অর্থ-সম্পদ সব দেশের রাজস্বখাতে যুক্ত করাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। যদি তা করতে না পারে সরকার; তাহলে সেই বাজেট জনগণের কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।
(পিআর/এসপি/ জুন ০৬, ২০২৬)
