‘হাইকোর্টে দ্রুততম সময়ে রামিসা হত্যা মামলার শুনানির ব্যবস্থা করবো’
স্টাফ রিপোর্টার : বিচারিক আদালতের রেকর্ড (নথি) পাওয়ার পর হাইকোর্টে দ্রুততম সময়ে শিশু রামিসা হত্যা মামলার শুনানির ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোঘণার পর রবিবার (৭ জুন) নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ এ কথা জানান তিনি।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আমাদের অবস্থান হচ্ছে রেকর্ড প্রাপ্তির পরে দ্রুততম সময়ে আমরা মামলাটির শুনানির ব্যবস্থা করবো। সেক্ষেত্রে পেপারবুক করতে হবে।
প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার প্রয়োজন হতে পারে ও প্রধান বিচারপতির বিশেষ নির্দেশনার প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পন্নকরণের পর দ্রুত আপিল নিষ্পত্তির চেষ্টা করবো।
এর আগে মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে৷ আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।
এছাড়া আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।
(ওএস/এএস/জুন ০৭, ২০২৬)
