কাপাসিয়ায় বইতে শুরু করেছে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী হাওয়া
সঞ্জীব কুমার দাস, কাপাসিয়া : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় বইতে শুরু করেছে ইউপি নিবার্চনী হওয়া। কাপাসিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা টোক ও রায়েদ ইউনিয়ন রয়েছে প্রচার প্রচারনায় সব চেয়ে বেশী তুঙ্গে রয়েছে বলে জানা যায়। এলাকা ঘুরে দেখা যায় টোক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে যারা প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছে আড়ালিয়া গ্রামের প্রয়াত ইউপি সদস্য আবুল খায়ের মেম্বারের প্ত্রু বিএনপি নেতা আবুবকর ছিদ্দিক কিরন তিনি প্রতিনিয়িত ভ এলাকার মাঠ চছে বেড়াচ্ছেন। এলাকায় তার প্রচার প্রচারনা চোখে পড়ার মত। এছাড়া টোক ইউনিয়নের অন্যান্যদের মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে যাদের নাম শেনা যাচ্ছে তারা হলেন. টোক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বুলবুল কবির মেম্বার ও শফিকুল ইসলাম হান্নান। টোক ইউনিয়নে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায় বিগত সময়ে নানাবিধ সামাজিক কর্মকা- ও ন্যায় পরায়নতা ও সুশিক্ষিত মার্জিত প্রার্থী হিসেবে প্রচার প্রচারনায় এগিয়ে আছেন আবু বকর ছিদ্দিক কিরন। তার এগিয়ে থাকার কারণ হচ্ছে বিগত ২০১৬ সালে বিএনপি'র দুঃসময়ের টোক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েও তিনি মাঠে থেকে কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষদের সাথে মিলে মিশে এলাকায় নানাবিধ সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকা- চালিয়ে গেছেন। টোক ইউনিয়নে আবুবকর ছিদ্দিক কিরনের অঙ্গীকার হলো তাঁকে নির্বাচিত করলে টোক ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তিনি কাজ করবেন।
এছাড়া একই উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নটি কাপাসিয়ার মানুষের কাছে একটি ব্যতিক্রমী একটি ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম প্রধান মন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ। এছাড়াও এ পর্যন্ত কাপাসিয়ায় যতগুলো এমপি ও মন্ত্রী হয়েছেন এর বেশীর ভাগই এই ইউনিয়ন থেকে। বর্তমান এমপি সালাউদ্দিন আইয়ুবীর বাড়িও এই ইউনিয়নে অবস্থিত।
তিনি এবার জাতীয় সংসদ নিবাচর্নে মরহুম ব্রিগ্রেডিয়ার আ স ম হান্নান শাহ‘র ছেলে রিয়াজুল হান্নান শাহকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নিবার্চিত হয়েছেন। সেই ঐতিহাসিক রায়েদ ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা রাতদিন নবিার্চনী প্রচার চালিয়ে যাচেচ্ছন। এর মধ্যে যারা প্রাচারে এগিয়ে আছেন বলে শোনা যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে বিশিষ্ট ঔষধ বয়বসায়ী সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শিক্ষানবীশ এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, তিনি একজন কনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী, শিক্ষায় যেমন শিক্ষিত তেমন মানুষ হিসাবে একজন সাদা মনের মানুষ হিসাবে এলাকায় খুবই পরিচিতি লাভ করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম এর প্রতি রায়েদ বাসীর আশা আকাংখার রুপ দেখা গেছে ওই এলাকার সাধারন ভোটারদের সাথে আলাপ আলোচনা করে। দীর্ঘ দিন থেকে এই তরুন সমাজ কমী হিসাব এলাকায় দল মত নির্বিেেষ কাজ করে যাচ্চেন বলে একাধিক ভোটাররা জানান।
এছাড়া জাহাঙ্গীর আলম মৃত ইব্রাহিম সিপাহি (জজের বাপ)র প্রয়াত পূত্র তার মরহুম বাবার ক্লিন ইমেজেই তার প্রচার প্রচারনা এগিয়ে আছেন বলে বয়োজোষ্ট ভোটারদের অভিমত। তাছাড়া এই ইউনিয়নে স্থানীয় বিএনপি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে ডা: মতিউর রহমান জাফর ও সাইফুল ইসলাম বাদল, প্রয়াত সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই চেয়ারম্যানের মেয়ে মুনমুন রয়েছেন ভোটের মাঠে।
রায়েদ ইউনিয়নের তরুণ চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তার ইউনিয়নকে একটি আদর্শ মডেল ও মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাবেন। উপজেলার রায়েদ ও টোক ইউপি নিবার্চন নিয়ে প্রার্থীর এমন প্রতশ্রিতির মথ্য দিয়ে চলছে তাদের ভোট প্রচারণা।
(এসকেডি/এসপি/জুন ০৮, ২০২৬)
