রঘুনাথ খাঁ, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা জেলা সৎসঙ্গ শ্রী মন্দিরের প্রথম তলার ছাদ ঢালাই এর কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা শহরের রথখোলা মন্দিরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের অনুগামি ভক্তরা এর উদ্বোধন করেন। এ সময় মন্দির প্রাঙ্গণ বন্দে পুরুষোত্তম ধ্বনিতে মুখরিত হয়।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিমল কৃষ্ণ সানা জানান, ১৯৯৯ সালে পুরাতন সাতক্ষীরার গৌতম ঘোষ তিন লাখ টাকা দিয়ে মন্দিরের জন্য ২১ শতক জমি কিনে দেন। তিনি এ মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মন্দির তৈরির লক্ষ্যে সৎসঙ্গীবৃন্দ তিলে তিলে পরিশ্রম করে সকলের সহযোগিতায় মন্দিরের অফিসক্ষসহ দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ মন্দিরের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় পৃথক একতলা ভবনের ছাদ ঢালাই এর উদ্বোধন করা হয়। বিকেলে এ ঢালাই কাজ শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সৎসঙ্গ শ্রী মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সহ প্রতি ঋত্বিক গৌতম ঘোষ, সাংগঠণিক সম্পাদক সহ প্রতি ঋত্বিক বিমল কৃষ্ণ সানা, অডিটর সহ প্রতি ঋত্বিক সুকুমার বাছাড়, সহ প্রতি ঋত্বিক বিধান চন্দ্র ম-ল, সহ প্রতি ঋত্বিক গোবিন্দ সাধু, সহ প্রতি ঋত্বিক মনোজ সরকার, সহ প্রতি ঋত্বিকমাধব চন্দ্র গাইন,সহ প্রতি ঋত্বিক মাখন লাল বিশ^াস, সহ প্রতি ঋত্বিক অ্যাড. দুর্গাপদ সরকার, সহ প্রতি ঋত্বিক সোমা রায়, কেশব সাধু, সমীরণ সাধু, কলেজ শিক্ষক নিত্যানন্দ সরকার, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ প্রমুখ।

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের অনুগামি ভক্তরা বলেন, ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের বানী হলো, “সাধু সেজা না, সাধু হও।” “ঈশ্বর তো পরম বিধি-বিধি ধরেই সিদ্ধ পায়, বিধি-বিপরীত করলে কিন্তু আসেই বিপদ পায় পায়।” “ভগবানকে পেতে গেলে সৎগুরুর শরনাপন্ন হতে হয়।”“ যেখান থেকে নেও (দীক্ষা) সৎগুরু কাছ থেকে নিও।” “যদি সাধনায় উন্নতি করতে চাও তবে কপটতা ত্যাগ করো।” “ভগবানকে যত ভালবাসবে গভীরভাবে, ততই সুদিন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠবে। তাকে ভালবাসতে পারলে কুদিন ও কুদিন থাকে না, সুদিন হয়ে দাঁড়ায়।”

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র বলেছেন, “ যার উপর যা কিছু সব দাঁড়িয়ে আছে তাই ধর্ম, আর তিনিই পরম পুরুষ। ধর্ম কখনো বহু হয় না। ধর্ম একই আর তার কোন প্রকার নেই। মত বহু হতে পারে, এমনি কি যত মানুষ তত মতহতে পারে কিন্তু তাই বলে ধর্ম বহু হতে পারে না।”

(আরকে/এসপি/জুন ১৯, ২০২৬)