বিপুল কুমার দাস, রাজৈর : গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার দিগ নগর ইউনিয়নের দিগ নগর গ্রামের দিনমজুর সুনীল দাসের ৯ বছর বয়সী ছেলে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। সংবাদ শুনে শুভ  বাবা-মা হতাশায় ভেঙে পড়ে। শুভর আকুতি আমার বাবা গরিব, আমাকে কিকরে বাঁচাবে, আমি বাঁচতে চাই।

এ ব্যাপারে শুভর বাবা সুনিল দাস জানান, আমার ছেলে শুভ ১৫ দিন আগে থেকে মাথা ব্যথা ও প্রচুর বমি করে এবং খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দেয়। সাথে সাথে গ্রাম্য ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাই। ডাক্তার এর দেয়া ওষুধ খাওয়াই তাতেও বমি কমছেনা। এরকম দুই এক দিন চলতে থাকে। এর পর ঢাকা নিওরো সাইন্স হাসপাতালের ডাক্তার দেখাই ওখানের ডাক্তার এম আর আই সহ বিভিন্ন টেস্ট দেয়। ডাক্তার এর কথা মত টেস্ট করাই। টেস্ট এ ধরা পড়ে শুভর ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত হয়েছে। ডাক্তার বলেন, অপারেশন করা লাগবে।এতে তিন লাখ টাকার মতো খরচ হবে। শুভর ব্রেইন টিউমার এর কথা ও অপারেশন করা এবং অপারেশন বাবদ তিন লাখ টাকা লাগবে একথা শুনে হতাশায় ভেঙে পড়ে এবং এত টাকা কোথায় পাব? আমার ছেলেকে আর বাঁচাতে পারবেনা।

শুভর মা শিপ্রা দাস জানান, আমি পরের বাসা বাড়িতে কাজ করি এবং আমার স্বামী দিনমজুর করে সংসার চালাই। আমাদের পক্ষে আমার ছেলের চিকিৎসার খরচ চালাতে পারবোনা। তাহলে কি আমর ছেলেকে কি বাঁচাতে পারবোনা। শুভর মা আর্তনাদ করে বলেন আপনারা আমার ছেলেকে বাঁচান। আমার ছেলেকে প্রান ভিক্ষা দেন। আপনারা আমার ছেলের চিকিৎসায় সাহায্য করেন।

প্রতিবেশী ইব্রাহিম শেখ বলেন, শুভর বাবা, মা খুব গরিব, যে দিন কাজ করতে পারে সেই দিন পরিবারের লোকজনের খাওন জোটে আর যে দিন কাজ করতে পারে না সেই দিন পরিবারের লোকজন নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয়। এপর্যন্ত শুভর চিকিৎসার টাকা এলাকাবাসীর সাহায্যে হয়েছে।এই ছোট্ট শিশু শুভ কে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

অপর আর এক প্রতিবাদী খাদিজা বেগম বলেন, শুভ ছাত্র হিসেবে ভাল ।তার বাবা মা এর পক্ষে শুভকে বাঁচানোর সম্ভব হবে না। তাই শুভ কে বাঁচাতে সমাজের বিত্তশালীদের ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসা উচিত।

এলাকার আর এক প্রতিবাসী রাজ্জাক শেখ বলেন, শুভ আমাদের সন্তান, তাই শুভ কে বাঁচাতে, এলাকার বা এলাকার বাহিরে সমস্ত শ্রেণী পেশার বিত্তশালীদের ও প্রবাসীদের আর্থিক ভাবে এগিয়ে আসা খুবই প্রয়োজন। কোন হৃদয়বান ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেন। বিকাশ, নগদ, রকেট, পার্সোনাল নাম্বার দেওয়া হলো: ০১৩১৯৮৯৩৬৭৮

(বিডি/এসপি/জুলাই ৬, ২০২৬)