বিএনপি নেতাদের মারপিট
গোপালগঞ্জে ৪২০ আ.লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের ১২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা ইমদাদুল হক। তিনি ওই গ্রামের হাজী কায়েম উদ্দিন ফকিরের ছেলে এবং রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
গতকাল বুধবার রাতে মালাটি দায়ের করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান মামলার তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৪ জুলাই বিকেলে কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের তিলছড়া গ্রামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে তারা। এতে জনমনে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ সময় মামলার বাদী এমদাদুল হক মোটরসাইকেল যোগে সহযোগিদের নিয়ে সেখানে পৌঁছান। আসামিরা তাদের ওপর চড়াও হয়। তাদের মারধর করে এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুন) রাতে কাশিয়ানী থানায় ১২০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়।
গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন চলাচলে বাধা, বিএনপি নেতাদের মারধর এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
(টিবি/এসপি/জুলাই ১৬, ২০২৬)
