জিল বাংলার শেয়ার কারসাজি তদন্তের নির্দেশ বিএসইসির
স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানি জিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেডের শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিএসইসির পাঠানো এক চিঠিতে ডিএসইকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডিএসইকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই তদন্ত সম্পন্ন করে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে জিল বাংলার শেয়ারের লেনদেনে অস্বাভাবিক আচরণ ও দর ওঠানামা কমিশনের নজরে আসার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তদন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন ৫টি সুনির্দিষ্ট কার্যপরিধি (টিওআর) নির্ধারণ করে দিয়েছে।
এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে কোনো ধরনের সমন্বিত, কৃত্রিম বা কারসাজিমূলক লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা চিহ্নিত করা, অপ্রকাশিত মূল্য-সংবেদনশীল তথ্যের অপব্যবহার করে কোনো নিষিদ্ধ ‘ইনসাইডার ট্রেডিং’ বা ভেতরের কেউ সুবিধা নিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা, সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার/স্টক ডিলার এবং তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধিরা মার্জিন বিধিমালা, প্রাসঙ্গিক নোটিফিকেশন এবং কমিশনের নির্দেশনা সঠিকভাবে মেনে চলেছে কিনা তা পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে সন্দেহজনক এই লেনদেন প্রতিরোধে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর ভূমিকা এবং বিশেষ করে ‘ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড’ এর কোনো সম্পৃক্ততা, অবহেলা বা ব্যর্থতা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
এছাড়া লেনদেন প্রক্রিয়ায় অন্য যেকোনো ধরনের প্রাসঙ্গিক অনিয়ম খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।
তদন্তের পাশাপাশি ডিএসইকে সন্দেহজনক ট্রেড এক্সিকিউশনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত প্রতিনিধি, কমপ্লায়েন্স অফিসার এবং স্টক ব্রোকার/ডিলারের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার নির্দেশনাও দিয়েছে বিএসইসি।
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক-ডিলার, স্টক-ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা, ২০০০-এর বিধি ৬, ৮ (দ্বিতীয় তফসিল) এবং বিধি ১১-এর অননুমোদিত লঙ্ঘন বা অ-সম্মতি ঠেকাতে এই উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
(ওএস/এএস/জুলাই ১৭, ২০২৬)
