সহপাঠীদের প্রহারে জীবন যায় যায় অবস্থা শিক্ষার্থী আতিকের
শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর : সহপাঠীদের প্রহারে জীবন যায় যায় অবস্থা দিনাজপুর জিলা স্কুলের শিক্ষার্থী ক্লাস ক্যাপ্টেন আতিক ইসলামের। স্কুলের সহপাঠীদের প্রহারে গুরুত্বর আহত আতিককে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটেছে দিনাজপুর জিলা স্কুল প্রাঙ্গণে। স্কুল থেকে শিক্ষার্থী আতিক আহত হওয়ার ঘটনা অভিভাবকদের জানানো হলেও এ রিপোর্ট (সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টা) পর্যন্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক অথবা ক্লাস শিক্ষক কেউ দেখতে আসেনি আহত আতিককে। অথচ আতিক আহত হয়েছে ক্লাস শিক্ষকের কারণেই। আতিক শ্রেণির ক্যাপ্টেন হওয়ায় তাকে ক্লাস শিক্ষক রীনা রানী জানায়,যারা স্কুল বা ক্লাসে গন্ডগোল করবে এমন শিক্ষার্থীদের নাম লিখে জানাতে। আতিক কয়েক জন শিক্ষার্থীর নাম লিখে ক্লাস শিক্ষককে দেয়। শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীদের লাঠি দিয়ে প্রহার ও শাসন করেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত কয়েকজন শিক্ষার্থী একজোট হয়ে টিফিনের সময় আতিককে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে শিক্ষার্থী আতিক মারাত্মক আঘাত প্রাপ্ত হয়ে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আহত আতিক ইসলামের ফুপা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শামীম জানান, আতিক দিনাজপুর জিলা স্কুল এ ৫ম শ্রেণীতে পড়ে।শিফট- দিবা, শাখা- ঘ রোল ১২ সে ক্লাস ক্যাপ্টেইন। ম্যাডাম বলেছে ক্লাসে যারা দুষ্টুমি করতেছে তাদের নাম লিখ। এ নাম লিখে এবং ম্যাডামকে দেয়। ম্যাডাম তখন ওদেরকে শাস্তি দিয়েছে। ম্যাডাম ক্লাস থেকে বের হাওয়ার পর সেই ছেলে গুলো আমার ছেলে মোঃআতিক ইসলাম কে বেধড়ক মারধর করে । আতিক বর্তমানে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। শিশু সার্জারী বিভাগ রুম নং- ১ বেড নং--০৫ ৫ম তলা।
প্রহার করেছে সাফায়েত ওহি (রোল:৩৭),নাসিফ ফারদিন খান, (রোল:৮),মিরান (রোল :২৬ ), বর্ণ (রোল :১০)।
(এসএস/এসপি/জুলাই ২৯, ২০২৬)
