একে আজাদ, রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর পাংশায় সরকারি রাস্তার ১০/১২ টি মেহগুনি গাছ কেটে অন্যত্র সড়িয়ে নেওয়া চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে পবন বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে গাছ গুলো আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়। 

আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের বিলজোনা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত পবন বিশ্বাস ওই এলাকার মৃত চিত্তরঞ্জনের ছেলে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারি অনুমতি ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের নামে রেকর্ডীয় রাস্তা থেকে দে-ধারছে গাছ কাটা শুরু করেন অভিযুক্ত পবন বিশ্বাস।সে সময় ৫/৬ জনের একটি দল ১০/১২ টি মেহগুনি গাছের গোড়া কেটে সড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (প্যানেল) গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে সত্যতা পায়।পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ওই এলাকার গ্রাম পুলিশের জিম্মায় গাছ গুলো রাখা হয়।

এ বিষয়ে পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (প্যানেল) আকিদুল ইসলাম বলেন, ওই ঘটনার পরে একাধিক বার পবন বিশ্বাস কে পরিষদে ডাকা হয়। তবে তিনি বা তার পরিবারের কেউ সাড়া দেয় নাই। হঠাৎ আজ দুপুরে আবারোও গাছগুলো সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করলে, এলাকাবাসী আমাকে খবর দেন। আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে, দ্রুত গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে এসেছি।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রিফাতুল হক বলেন, ওই গাছ গুলো কয়েক মাস আগে অভিযুক্ত ব্যক্তি কেটে ছিলো। তবে গাছ গুলো সরকারি সম্পত্তির উপর থেকে কাটা কি না জানতে একাধিক বার পবন বিশ্বাস কে ডাকা হয়েছে। তবে তিনি আসেন নাই। আজ আবার গাছ গুলো সড়িয়ে নেওয়া পায়তারা চালাচ্ছিলেন তিনি।আমি চেয়ারম্যান কে নির্দেশ দিয়েছি গাছ গুলো পরিষদে রাখা।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু গাছ গুলো দীর্ঘদিন ফেলে রাখলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই নিলামের মাধ্যমে গাছ গুলো বিক্রি করে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। সেই সাথে সরকারি সম্পত্তির উপর থেকে গাছ কাটার অপরাধে পবন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

(একে/এসপি/জুলাই ২৯, ২০২৬)