ঈশ্বরদীতে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাসুদ রানা মদন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর নানী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আজ রবিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বহরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী তার নানী হোসনেয়ারা বেগমের কাছে থাকত।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টার দিকে খেলতে গিয়ে প্রতিবেশী মাসুদ রানা মদনের বাড়িতে যায় শিশুটি। সে সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
পরদিন শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তার নানী তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকের কাছে শিশুটি ঘটনার বর্ণনা দেয় এবং শারীরিক ব্যথার কথা জানায়। চিকিৎসকের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি নিশ্চিত হলে শনিবার রাতেই শিশুটির নানী হোসনেয়ারা বেগম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে শনিবার গভীর রাতেই অভিযুক্ত মাসুদ রানা মদনকে গ্রেপ্তার করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, শিশুটির নানীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
(এসকেকে/এসপি/আগস্ট ০২, ২০২৬)
