ফরিদপুরে বিএনপি নেতার ওপর সন্ত্রাসী হামলা, গ্রেপ্তার ১
রিয়াজুল রিয়াজ, বিশেষ প্রতিনিধি : ফরিদপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এতে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসান খানকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে নয়টার দিকে ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কে ফরিদপুর বিসিক শিল্প নগরীর ১নং গেটের নিকটবর্তী ফাঁকা রাস্তায় তিনি এ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা হাসান খানের ছোটভাই যুবদলকর্মী রাজু খান ফরিদপুর কোতয়ালি থানায় চার জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা (মামলা নং ৬, তারিখ: ৩ আগস্ট' ২০২৬ ইং) দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহারে বাদি রাজু খান উল্লেখ করেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বেশকিছু দিন যাবত তার বড়ভাই বিএনপি নেতা হাসান শেখকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলো স্থানীয় একটি মহল। এরই জেরে গতকাল রবিবার রাত সোয়া নয়টার দিকে কানাইপুরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ভাজিতা নাঈম শেখকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে তেঁতুল তলা নিজ বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে, বিসিক শিল্প নগরীর এক নম্বর গেটের কাছে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে আসামিরা রাম দা, চাপাতি, লোহার রড দিয়ে হাসান খানের ওপর হামলা চালায়। এতে সে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যায় এবং আসামিদের একটি কোপ হাত দিয়ে ঠেকালে তার হাত কেটে মারাত্নক জখম হয়। এরপর লোহার রড ও দেশিও অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে ভাতিজার আত্ম চিৎকারে এলাকাবাসী দৌড়ে আসলে হামলা কারীরা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আহত হাসান খানকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান ভাতিজা নাঈম খান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ মামলা মামলার এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন- ১. মাহাতাব মোল্লা (২২) পিতা- মৃত নাসির মোল্লা ২. শাহিন মোল্লা (৪০) পিতা- সামচু মোল্লা ৩. মিনহাজ মোল্লা (২২) পিতা- আবুল মোল্লা এবং ৪. তুহিন মোল্লা (৩০) পিতা- সামচু মোল্লা সর্ব সাং মৃগি, পো: কানাইপুর, ফরিদপুর পৌরসভা ওয়ার্ড নং ৪, থানা: কোতয়ালি, জেলা: ফরিদপুর।
বিএনপি নেতা হাসান খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, 'এ হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছোটভাই বাদি হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যে এ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, মামলাটির তদন্তের পাশাপাশি বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি মাহমুদুল
(আরআর/এএস/আগস্ট ০৩, ২০২৬)
