ডিম ফুটে বের হলো বিষধর ১৪ পদ্মগোখড়ার বাচ্চা
কলাপাড়া প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এবারই প্রথম এনিমেল সেড এ দীর্ঘ দেড় মাস তা দিয়ে মারাত্মক বিষধর ১৪ পদ্মগোখড়ার ডিম ফুটে বের হলো বাচ্চা। গত দুই দিনে পর্যায়ক্রমে এ সাপের বাচ্চাগুলো বের হয়। চার থেকে পাঁচ ইঞ্চি সাইজের বিষধর সাপের বাচ্চা দেখতে ভীড় করেছ মানুষ।
গত ৪ আগষ্ট অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী স্বেচ্ছাসেবী প্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশবাদী সংগঠন এর সাপ ও বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী কাওসার হৃদয় সাপ রেস্কিউ কলে আমতলী উপজেলার বান্দায় একটি বাড়িতে যায়। ঘর থেকে সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে সাপ খুজে কোথাও না পেলেও ১৪টি পদ্মগোখরা মারাত্মক বিষধর সাপের ডিম পান।
পরবর্তীতে ডিমগুলো কলাপাড়ায় নির্মিত এনিমেল শেড এ সর্প বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম ফুটানোর প্রক্রিয়া শুরু করে। দেড় মাস পর ডিম গুলো ফুটে বাচ্চা বের হয়।
অ্যানিমাল লাভার্স অব পটুয়াখালী সংগঠনের সদস্য বায়েজিদ আহমেদ বলেন,পদ্মগোখরা সাপের ডিম ফুটতে সাধারণত প্রায় ৬০–৭০ দিন সময় লাগে। পরিবেশের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ওপর ভিত্তি করে সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। স্ত্রী পদ্মগোখরো সাধারণত প্রায় ১০–৩০টি ডিম দিতে পারে। বাচ্চা ডিম থেকে বের হওয়ার সময়ই বিষধর এবং স্বনির্ভরভাবে চলতে সক্ষম থাকে।
তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ও উপকূলীয় বন বিভাগ পটুয়াখালী'র সাথে কথা বলে তাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী খুব শীগ্রই আমরা বন বিভাগের সংরক্ষিত বনে ১৪ টি সাপের বাচ্চা অবমুক্ত করবেন। বর্তমানে বাচ্চাগুলো তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
(এমকে/এসপি/সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬)
